১৩/০২/২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
19 C
Dhaka
১৩/০২/২০২৬, ১:৫১ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

যশোরে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

যশোরে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে পৃথক দুটি স্থানে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সদর উপজেলার লাউখালীতে মোহাম্মদ মুজাহিদ (৭) এবং আপন হোসেন (৮) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। একইদিনে চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের দোগাছিয়ায় তাওহীদ হাসান (৫) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যুর হয়। নিহত মুজাহিদ এবং আপন সম্পর্কে খালাতো ভাই।

নিহত মুজাহিদের খালু মফিজুর রহমান জানিয়েছেন, তারা দুজনই সাত মাইলে তাদের নানা বাড়িতে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে গিয়েছিল। সেখানেই খেলার সময় অসাবধানতাবশত দুজনেই পানিতে পড়ে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য যশোর সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মুজাহিদের বাড়ি সদর উপজেলার সুলতানপুরে এবং আপনের বাড়ি রসুলপুরে।

এদিকে, একই দিনে সকালে চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের দোগাছিয়া গ্রামের কাঁঠালতলার বিপুলের ছেলে তাওহীদ হাসান পাশ্ববর্তী ইসলামপুর গ্রামে তার নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। সেখানে পানিতে ডুবে তারও মৃত্যু হয়।

নিহতের নানা তরফ আলী জানান, সকালে সবার অজান্তে শিশু তাওহীদ হাসান খেলতে গিয়ে বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায়। এসময় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করে। শিশু তাওহীদ হাসানের মৃত্যুর পর তার পিতা, মাতা পাগল প্রায়।

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক শাকিরুল ইসলাম জানান, দুপুর ১টার দিকে দুইটি শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। প্রাথমিক পরিক্ষা নীরিক্ষা শেষে মুজাহিদকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এবং আপনকে জরুরি বিভাগে ব্যবস্থাপত্র দেয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।

বিজ্ঞাপন

দুইজনই পানিতে ডুবে মারা গেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

এবিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসনাত জানিয়েছেন, পৃথক দুটি স্থানে পানিতে ডুবে তিনজন শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে দুইজন সম্পর্কে খালাতো ভাই। বর্তমানে শিশু দুটির মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। অপর এক শিশুর মরদেহ হাসপাতালে আনা হয়নি।

পড়ুন : যশোরে চাঞ্চল্যকর স্ত্রী ও দুই কন্যাকে হত্যার দায়ে স্বামী জহিরুলের মৃত্যুদণ্ড

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন