২০/০২/২০২৬, ১৮:২৩ অপরাহ্ণ
28.1 C
Dhaka
২০/০২/২০২৬, ১৮:২৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কয়জন পলেটিশিয়ানের ছেলে মেয়ে জীবন দিয়েছে : সারজিস

চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে লংমার্চ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তেতুলিয়ায় পথ সভায় এনসিপির উত্তরাঞ্চল মুখ্যপাত্র সারজিস আলম বলেন, কয়জন পলেটিশিয়ানের ছেলে মেয়ে জীবন দিয়েছে, জীবন দিয়েছে আপনার আমার মত মানুষেরা শ্রমিকেরা ও তাদের সন্তানেরা। তিনি আরও বলেন,আমরা এ লং মার্চ করছি চাঁদাবাজি দখলদারিত্ব সিন্ডিকেট ক্ষমতার অপব্যবহার মাদক ব্যবসাসহ যত ধরনের অপকর্ম পঞ্চগড় হয় সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে। আমরা স্পষ্ট ভাবে একটা কথা বলে যাই এই জুলাই অভুর্থানে কয়জন রাজনৈতিক নেতৃত্বের ছেলে মেয়ে মরেছে একবার হিসাব করে দেখেন,কয়জন পলেটিশিয়ানের ছেলে মেয়ে জীবন দিয়েছে, জীবন দিয়েছে আপনার আমার মত মানুষেরা শ্রমিকেরা ও তাদের সন্তানেরা।

লং মার্চের শুরুতে সারজিস আলম নিজে একটি পিকআপ ভ্যানে চড়ে অংশ নেন এবং চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে পঞ্চগড় পৌর শহরের সুগার মিল এলাকা থেকে প্রায় এক হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে এই লংমার্চের উদ্বোধন করেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

লংমার্চটি পঞ্চগড় সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী, চাকলাহাট, হাড়িভাসা, হাফিজাবাদ, অমরখানা, সাতমেরা, তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর, ভজনপুর, বুড়াবুড়ি, শালবাহান, তেঁতুলিয়া ও তিরনইহাট ইউনিয়ন অতিক্রম করে বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে গিয়ে শেষ হয়।

প্রায় ১৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ লংমার্চে জেলার পাঁচ উপজেলার এনসিপি নেতাকর্মীরা অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল দুর্নীতিবিরোধী নানা স্লোগান লেখা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড।

পথিমধ্যে তেঁতুলিয়া চৌরাস্তায় প্রথম পথসভা এবং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাইপাড়া বাজারে দ্বিতীয় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পথসভায় বক্তব্য দেন সারজিস আলম।

লংমার্চ শেষে বাংলাবান্ধা থেকে পঞ্চগড় শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে সমাপনী বক্তব্য দেবেন সারজিস আলম।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : সকল ভেদাভেদ ভুলে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে হবে: নাটোরে দুলু

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন