বিজ্ঞাপন

পাঁচ দফা দাবিতে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জামায়াতের

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিআর’সহ পাঁচ দফা দাবিতে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেছেন জেলা জামায়াতের নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

রবিবার (১২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিসের নেতৃত্বে এ স্মারক লিপি প্রদান করা হয়। স্মারক লিপি প্রদানের পূর্বে প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মীর একটি মিছিল নিয়ে জেলা জামায়াতের কার্যালয় হতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে।

এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা মাহবুবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।পরে জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামানের নিকট সড়ক লিপি প্রদান করেন জেলা জামায়াতের একটি টিম।

এতে উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মাওলানা ছাদেক আহমাদ হারিছ, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাহবুবুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মো. দেলোয়ার হোসাইন সাইফুল, জেলা বায়তুলমাল সেক্রেটারী মো. নিজাম উদ্দিন, আটপাড়া-কেন্দুয় আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক খাইরুল কবির নিয়োগী, কলমাকান্দা-দুর্গাপুর আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আবুল হাসিম, জামাতের ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা নুরুল্লাহ ভূইয়া, জেলা শ্রমিক বিভাগের সভাপতি মাওলানা কামাল উদ্দিন, জেলা প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি মো. জহিরুল ইসলাম, জেলা তারবিয়াহ সেক্রেটারি বদরুল আমিন, জেলা অফিস সেক্রেটারি এস এম আল আমিন, পৌর জামায়াতের আমির মো. রফিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলি উল্লাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এসময় বক্তারা বলেন, আগামী নির্বাচন পিআর পদ্ধতি হতে হবে। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন নিয়ে আমাদের প্রস্তুতি শতভাগ আছে। তবে তা হতে হবে জুলাই সনদের ভিত্তিতে। জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারের দোসরদের নিষিদ্ধ করতে হবে।লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করেই নির্বাচন দিতে হবে। না হয় আমরা ঘরে ফিরে যাবেন না বলে জানান তারা।

পড়ুন: ইন্দুরকানীতে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ উদ্বোধন

দেখুন: লাগামছাড়া জীবনযাত্রার ব্যয়, ঢাকা ছাড়তে চায় মানুষ

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন