বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ড. সামিউল হক ফারুকী বলেছেন, “বাংলাদেশের রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিকসহ—সব শ্রেণির মানুষ এখন পিআর পদ্ধতি বোঝে। কিন্তু দেশের একটি রাজনৈতিক দলের ভাইয়েরা আজও এই পদ্ধতির গুরুত্ব বোঝেন না, কিংবা বুঝতে চান না।”
বুধবার (১৫ অক্টোবর) জামালপুর শহরের ফৌজদারি মোড়ে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জামালপুর জেলা শাখা আয়োজিত এই কর্মসূচিতে ডা. ফারুকী প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, “পিআর পদ্ধতি গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। এই পদ্ধতিতে জনগণের প্রকৃত মতামত সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠের একচেটিয়া দখল নয়, বরং সব রাজনৈতিক দল ও শ্রেণির মানুষ তাদের ভোটের মাধ্যমে ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব পায়। এটি শুধু একটি নির্বাচন পদ্ধতি নয়, এটি একটি গণতান্ত্রিক ন্যায়ের রূপরেখা।”
ড. ফারুকী আরও বলেন, “আমরা আজ এমন একটি সময়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম যেখানে জনগণের ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ হুমকির মুখে ছিলো। বিগত জুলাই বিপ্লবে এই হুমকি থেকে আমাদের মুক্তি মিলেছে। তাই এখনই সময় গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করার। পিআর পদ্ধতিকে সাংবিধানিক ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা দিয়ে, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।”
মানববন্ধনে জামায়াত নেতৃবৃন্দ পিআর পদ্ধতিকে জুলাই সনদের অংশ হিসেবে গ্রহণ, গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবি উপস্থাপন করেন।
মানববন্ধনে জামালপুর জেলা জামায়াতের আমির, সেক্রেটারি, পৌর ও উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
পড়ুন: জয়পুরহাটে পিআরসহ পাঁচ দফা দাবিতে মানববন্ধন
দেখুন: কেমন ছিলো বাংলাদেশের ১২টি জাতীয় নির্বাচন?
ইম/


