১৪/০১/২০২৬, ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ
15 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ইয়াবার টাকা দি‌তে না পারায় থাপ্পর,ক্ষুব্ধ হ‌য়ে মাদক ব্যবসায়ীকে হত্যা


কু‌ষ্টিয়ার খোকসায় নির্মাণাধীন বা‌ড়ি থে‌কে শাহিন হোসেন(৩৫) না‌মে এক মাদক ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধা‌রের ঘটনায় এক যুবক‌কে আটক ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। আটক যুব‌কের নাম রাকিবুল ইসলাম রাহুল(২১)। তি‌নি উপ‌জেলার মাঠপাড়া গ্রামের ওসমান আলীর ছেলে। পু‌লি‌শের জিজ্ঞাসাবা‌দে শা‌হিন‌কে হত্যার দায় স্বীকার ক‌রে‌ছে রাহুল। পু‌লিশ বল‌ছে, খুন হওয়া ব্যক্তি মাদক ব্যবসার সাথে জ‌ড়িত ছিল। মূলত মাদক নি‌য়েই এই হত্যাকান্ড। খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ও‌সি) শেখ মঈনুল ইসলাম নাগ‌রিক টে‌লি‌ভিশন‌কে এ তথ্য নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন।

এ ঘটনায় মৃত শা‌হি‌নের স্ত্রী বাদী হ‌য়ে খোকসা থানায় মামলা দা‌য়ের ক‌রে‌ছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেল সা‌ড়ে ৪টার দি‌কে মাঠপাড়া গ্রা‌মের নির্মাণাধীন এক‌টি বা‌ড়ির বারান্দা থে‌কে প‌লি‌থিন দি‌য়ে ঢাকা অবস্থায় শা‌হি‌নের লাশ উদ্ধার ক‌রে পু‌লিশ। শাহিন একই এলাকার মৃত আছের আলির ছেলে।

আজ শুক্রবার(১৭ অ‌ক্টোবর) দুপু‌রে রাহুল‌কে আদাল‌তে পাঠা‌নো হ‌য়ে‌ছে।

খোকসা থানা পু‌লিশ সূ‌ত্রে জানা গে‌ছে, শা‌হি‌নের মু‌ঠো‌ফোনের সূত্র ধ‌রে বৃহস্প‌তিবার দুপু‌রে নিজ এলাকা থে‌কে রাহুল‌কে আটক ক‌রে পু‌লিশ। এ সময় তার কাছ থে‌কে শা‌হি‌নের তিন‌টি মু‌ঠো‌ফোন ও মা‌নিব্যাগ উদ্ধার করা হয়। এরপর পু‌লি‌শের জিজ্ঞাসাবাদে রাহুল স্বীকার করে যে, ঘটনার দিন শাহিনের কাছ থেকে দুই পিস ইয়াবা নিয়ে সে সেবন করে। টাকা দিতে না পারায় শাহীন তা‌কে গালিগালাজ, হুমকি ও মু‌খে থাপ্পর দেই। এতে ক্ষুব্ধ হ‌য়ে নাইলনের রশির ফাঁস বানি‌য়ে শাহিনের গলায় শক্ত করে বেঁধে তা‌কে হত্যা করে।

জান‌তে চাইলে বি‌কেল সা‌ড়ে ৪টার দি‌কে ও‌সি শেখ মঈনুল ইসলাম ব‌লেন,আসামী‌ রাহুল‌কে আদাল‌তে হাজির করা হ‌য়ে‌ছে। তিনি দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করবেন।শা‌হিন একজন মাদক ব্যবসায়ী ছি‌লেন। মাদ‌ক বি‌ক্রির টাকা নি‌য়ে রাহুলকে গা‌লিগালাজ ও মারধর কর‌লে ক্ষুব্ধ হ‌য়ে শা‌হিন‌কে হত্যা ক‌রে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : কু‌ষ্টিয়ায় বো‌নের ৮ বিঘা জ‌মির সরিষা বিন‌ষ্ট করলো ভাই

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন