পঞ্চগড়ে প্রতারনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে অক্ষমতা জনিত কারন দেখিয়ে এক কালীন অবসর ভাতা নিয়ে,নিয়ম ভেঙ্গে তথ্য গোপন করে আরেক প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে পুনরায় অবসর ভাতা নেওয়ার চেষ্টা করছেন দিলরুবা বেগম। তিনি বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক, এর আগে তিনি দেবীগঞ্জের টেপ্রীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক পদে চাকরি করে অবসর ভাতা গ্রহণ করেন।এতে দীর্ঘদিন ধরে বেতন ভাতা উত্তোলন করে সরকারের লাখ লাখ টাকা প্রতারনা করে আত্মসাত করেছেন তিনি। বর্তমানে বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয় থেকে অবসর ভাতা গ্রহনের ফাইল পাঠানোর কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সম্প্রতি নাগরিক টেলিভিশনের অনুসন্ধানে এ তথ্য উঠে আসে।
জানা যায়,পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার টেপ্রীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৯৯০ সালের ৫ মে সহকারি শিক্ষক পদে যোগদান করেন দিলরুবা বেগম।তিনি দেবীগঞ্জের টেপ্রীগঞ্জ এলাকার মোঃ এ হাকিম বসুনিয়ার মেয়ে। প্রায় ১৫ বছর চাকুরি করে ২০০৫ সালে অক্ষমতা জনিত কারন দেখিয়ে সরকারের এককালীন সুবিধা গ্রহণ করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করা কালীন সময়ে, বোদা উপজেলার বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে যোগদান করে ২০০২ সালের পহেলা মে থেকে এমপিওভুক্ত হয়ে বেতন ভাতাদি উত্তোলন করছিলেন। চলতি বছরের ৩০ জুন প্রভাষকের বয়স ৬০ বছর পূর্ণহলে অবসরে যান তিনি।
তবে সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৪৮ কোনো কর্মচারী অবসর গ্রহণের পর, ধারা ৫১ এর বিধান অনুসরণ ব্যতীত, প্রজাতন্ত্রের কর্ম বা রাষ্ট্রের অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কোনো উপায়ে পুনরায় নিয়োগ করতে পারবে না।তবে শর্ত থাকে যে, সাংবিধানিক কোনো পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হইবে না।অবসর গ্রহণকারী সরকারি কর্মচারীকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ।
বিষয়টি জানতে অভিযুক্ত বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক (অবসর) দিলরুবা বেগম এর মুঠোফোনে কল করলে, সংবাদকর্মীর পরিচয় পেয়ে ফোনটি কেটে দেন।
বোদা মহিলা মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো: আশরাফুল আলম বলেন,এ কলেজে চাকরির আগে, যে চাকরি করে অবসর ভাতা নিয়েছেন বিষয়টি জানা নাই। তিনি যদি তথ্য গোপন করেন তাহলে তিনি বুঝবেন।
পড়ুন: তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস
দেখুন: খাবার নেই, নেই টাকা পাক সেনাবাহিনীর
ইম/


