বিজ্ঞাপন

আন্দোলনে নামছেন এইচএসসির ফল পাওয়া শিক্ষার্থীরা

চার দাবিতে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সদ্য ফল পাওয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। পরীক্ষায় ফেল করা ও আশানুরুপ জিপিএ না পাওয়া শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে গণজমায়েত করবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তারা ফেসবুকে ব্যক্তিগত আইডি ও বিভিন্ন গ্রুপে ব্যাপক প্রচার চালাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, রোববার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে চার দফা দাবিতে গণজমায়েত করবেন। তবে মূল আয়োজক কারা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বিষয়টি নজরে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীরও।

এইচএসসি শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা; বোর্ড চ্যালেঞ্জে খাতা পুনঃনিরীক্ষণ নয়, পুনর্মূল্যায়ন করা এবং ১০০ নম্বরের সব অংশ (এমসিকিউ, সিকিউ, প্রাকটিক্যাল) রিচেক করা; ফেল করা বিষয়ের নম্বর সব অংশসহ (এমসিকিউ, সিকিউ, প্রাকটিক্যাল) আলাদাভাবে মার্ক দেখানো এবং সিকিউ ও এমসিকিউ মিলিয়ে সম্মিলিতভাবে পাশের ব্যবস্থা করা।

চলতি বছর ১১টি শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ। এর চেয়ে কম পাসের হার ছিল ২১ বছর আগে ২০০৪ সালে, সে বছর পাস করেছিলেন ৪৭.৭৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী। এবার শুধু পাসের হার নয়, জিপিএ ফাইভসহ ফলের সব সূচকেই ধস নেমেছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফলাফল বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফলে রেকর্ড পরিমাণে ধস নেমেছে সিলেট শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৮৬ শতাংশ, যা গতবারের চেয়ে প্রায় ২৪ শতাংশ কম। গতবার পাসের হার ছিল ৮৫.৩৯ শতাংশ। এবারের ফলাফলে সবচেয়ে কম পাসের হার দেখা গেছে কুমিল্লা বোর্ডে। সেখানে পাস করেছে ৪৮.৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৭১.১৫ শতাংশ।

সব বোর্ডের ফল ধসের রেকর্ড ছাড়িয়েছে কারিগরি শিক্ষাবোর্ডে। এ বোর্ডে এবার পাসের হার কমেছে ২৬ শতাংশের বেশি। সেখানে পাস করেছে ৬২.৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৮.০৯ শতাংশ।

শিক্ষার্থীদের গ্রুপ ভিত্তিক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এবারের এইচএসসির ৯টি বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে বেশি। যা ৭৮.৭২ শতাংশ, যা গতবার ছিল ৯১.৩৩ শতাংশ। এবার ব্যবসায় শিক্ষায় পাসের হার ৫৫.৫৮ শতাংশ, আর মানবিকে সবচেয়ে কম ৪৮.২৩ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : এইচএসসিতে ভয়াবহ ফল বিপর্যয়ের কারণ কী?

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন