ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এ কে আজাদ কর্তৃক জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় মহিলা দলের মহিলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সদর আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী চৌধুরী নায়াব ইউসুফের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের প্রতিবাদে মশাল মিছিল করেছে যুবদল।
আজ বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফরিদপুর শহরের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে মশাল মিছিলটি জনতা ব্যাংকের মোড়ে গিয়ে শেষ হয় ।
এ সময় জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি কেএম জাফরের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, ফরিদপুর সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি বেনজির আহমেদ তাবরিজ ও জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম তালুকদার প্রমুখ। মিছিলে জেলা ও মহানগর যুবদলের কয়েকশ নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বক্তারা অবিলম্বে সাবেক সংসদ সদস্য একে আজাদসহ তার সাথে থাকা আওয়ামী লীগের দোসরদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গত রবিবার বিকেলে ফরিদপুর সদরের পরমানন্দপুর বাজারে গনসংযোগে যান ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এ কে আজাদ। একই সময়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার প্রচারে মিছিল নিয়ে উপস্থিত হন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী নায়াব ইউসুফের পক্ষে শ্লোগান দিচ্ছিল আর প্রচারণা চালাচ্ছিল। ওই স্থানে এ কে আজাদকে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকে। এ সময় মিছিলকারীরা ‘একশন একশন ডাইরেক্ট একশন’সহ নানা শ্লোগান দেওয়া নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে সেখানে ডিবি পুলিশের একটি গাড়ী ও এ কে আজাদের বহরের একটি গাড়ির গ্লাসে আখের টুকরা দিয়ে আঘাত করা হয়। এ ঘটনার পর এ কে আজাদ কয়েকটি গণমাধ্যমকে পরমানন্দপুর বাজারে গনসংযোগকালে হামলার ঘটনা উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আসনটিতে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী চৌধুরী নায়াব ইউসুফকে দায়ী করে নানা ধরনের বক্তব্য দেন।
পড়ুন : ফরিদপুরে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসরদের গ্রেফতারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ছাত্র-জনতার


