19 C
Dhaka
০৪/০৩/২০২৬, ৬:০৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গাজায় গণহত্যা নিয়ে জাতিসংঘের নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেসকা আলবানিজে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি শাসনের গণহত্যা বিষয়ে তার সর্বশেষ কঠোর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। বুধবার প্রকাশিত রিপোর্টটির নাম ‌“গাজা গণহত্যা: একটি সমষ্টিগত অপরাধ”।

প্রতিবেদনের মূল বক্তব্য

আলবানিজে যুক্তি দিয়েছেন যে, উপকূলীয় এই অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের জীবনব্যবস্থার ধারাবাহিক ধ্বংস সাধন করা হয়েছে সামরিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক এবং তথাকথিত মানবিক চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতৃত্বে পশ্চিমা দেশগুলো কূটনৈতিকভাবে ইসরায়েলি শাসনকে জবাবদিহিতা থেকে রক্ষা করেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানানো প্রস্তাবগুলো ভেটো বা দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে, আর ইসরায়েলের সামরিক বর্বরতাকে “বৈধ আত্মরক্ষা” হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আলবানিজে উল্লেখ করেছেন, সামরিক সহায়তাও এই গণহত্যা অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রতিবছর ইসরায়েলকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার, পাশাপাশি গোয়েন্দা, অস্ত্র ও লজিস্টিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া গণহত্যার পর এই সহায়তা আরও বৃদ্ধি পায়—শত শত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ভারত, ইতালি, ফ্রান্স, স্পেনসহ অন্যান্য দেশও ইসরায়েলকে অস্ত্র ও “দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি” সরবরাহ করেছে, যা সরাসরি গাজায় বোমাবর্ষণে ব্যবহৃত হয়েছে।

এই অস্ত্র সরবরাহ আর্ম ড্রেড টিটির লঙ্ঘন, কারণ ইসরায়েল এখনো দখলদার ও বেসামরিক জনগণের ওপর হামলা চালাচ্ছে।

রিপোর্টে বলা হয়, অন্তত ৪৫টি সক্রিয় বাণিজ্য ও সহযোগিতা চুক্তি—যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে চুক্তিগুলোও রয়েছে—ইসরায়েলকে সামরিক ও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার দিয়েছে।

ইউরোপীয় গবেষণা কর্মসূচিগুলোও বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠানগুলোকে, যার অনেক প্রকল্পের সরাসরি সামরিক প্রয়োগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন