আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কাজে অর্থদাতা রাজা কায়সারকে আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশনে আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, ঢাকা-৭ আসনের সাবেক এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের নাতি ও মদিনা ট্রেনিং কর্পোরেশনের নির্বাহী পরিচালক রাজা কায়সার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অন্যতম অর্থদাতা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে বর্তমানে তার অর্থায়নে চলছে রাজধানীতে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম।
৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর হাজী মোহাম্মদ সেলিম ও তার ছেলে সোলাইমান সেলিম যখন গ্রেফতার হয় তখন মদিনা গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ নেন হাজী মোহাম্মদ সেলিমের নাতি ও ইডি মদিনা ট্রেনিং কর্পোরেশনের নির্বাহী পরিচালক রাজা কায়সার।

জানা যায়, এরপর থেকে তিনি মদিনা গ্রুপ থেকে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন। মার্কেট থেকে মদিনা গ্রুপের টাকা উত্তোলন করে অফিসে জমা না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। মানুষকে ভয় ভীতি প্রদর্শন করে টাকা উত্তোলন করেন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন মদিনা গ্রুপের রিকভারি অফিসার ইয়াসিন খান রাজু,
হাসান উদ্দিন, তাইজুল ইসলাম ও রায়হানুলসহ একটি চক্র।
মদিনা গ্রুপ রাষ্ট্রের সম্পদ। বর্তমানে এই চক্র মদিনা গ্রুপকে লুটপাট করে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। হাজি সেলিম ও সোলাইমান সেলিম জেলে থাকায় তারা ইচ্ছা মতো মদিনা গ্রুপের সম্পদ আত্মসাৎ করে চলেছেন। এই চক্রের হাত থেকে মদিনা গ্রুপকে বাঁচানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
হাজী মোহাম্মদ সেলিমের নাতি ও ইডি মদিনা ট্রেনিং কর্পোরেশনের নির্বাহী পরিচালক রাজা কায়সার একজন লম্পট ও দুশ্চরিত্রের লোক। মেয়ে নিয়ে ফুর্তি ও ইয়াবা সেবন তার অন্যতম কাজ। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে তাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।
রাজা কায়সার একজন মাদক কারবারি। সে সব সময় তার গাড়িতে মাদক বহন করে। সে মাসে কয়েকবার কক্সবাজার যাতায়াত করে মাদক আনতে। তাই তাকে আইনের আওতায় আনা জরুরি।


