১৫/০১/২০২৬, ১৪:০৭ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ১৪:০৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে ভবদহ জলাবদ্ধতা নিরসনে শুরু হল নদী খনন

যশোরের ভবদহের জলাবদ্ধতা নিরসনে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে নদী খনন শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় স্লুইসগেটের কপাট খুলে দেওয়ার পাশাপাশি নদী খনন শুরুর উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে ভবদহ জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান।

চার দশক ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতার শিকার যশোরের ভবদহ এলাকার মানুষ। জেলার অভয়নগর, কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ২ শতাধিক গ্রামে এ সমস্যা বিদ্যমান। জলাবদ্ধতা নিরসনে বছরের পর বছর নানা প্রকল্প নেয়া হলেও কাজে আসেনি। বরং ভোগান্তি ক্রমশ বেড়েছে। পলি জমে ভরাট হয়ে গেছে ৬টি নদী ও শতাধিক খাল। এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে স্থানীয়রা দীর্ঘ দিন ধরে ভবদহ স্লুইস গেটগুলোর কপাট খুলে দেওয়া ও ভরাট হয়ে যাওয়া নদীগুলো সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে খনন করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সর্বশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দুর্ভোগ আক্রান্ত মানুষের দাবি পূরণ উদ্যোগে নেয়। তারই অংশ হিসেবে ১৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে ভবদহ অঞ্চলের পাঁচটি নদীর ৮১ দশমিক ৫ কিলোমিটার খননের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সেনাবাহিনীকে। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য দেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, নদী খননই ভবদহের ভোগান্তি নিরসনে শেষ কথা নয়। স্থায়ী সমাধানে ধাপে ধাপে স্থানীয় জনগন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে কাজ করবে সেনাবাহিনী।

এদিকে নদী খনন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন ও তদারকির আশ্বাস দেন এ প্রকল্পে নিযুক্ত সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মামুন উর রশিদ।

অনুষ্ঠানে অন্যানের মধ্যে যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজাহারুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন ভোট যশোরের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ কুমার বিশ্বাস, ভবদহ পানি নিষ্কাশন সংগ্রাম কমিটির উপদেষ্টা ইকবাল কবির জাহিদ, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : যশোরের চৌগাছায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই কিশোর নিহত

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন