আওয়ামী লীগের বাকশালী ও ফ্যাসিবাদী রাজনীতি অতীতেও প্রত্যখ্যাত হয়েছিল। মানুষ তাদের সন্ত্রাসবাদী নৃশংস রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তাদেরকে বিতাড়িত করেছিল। কিন্তু বিএনপি-জামায়াতের ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং অশুভ রাজনীতি ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগকে দীর্ঘ দিন পরে হলেও রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনেছিল। বর্তমানে আবারও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসিত করতে অতীতের মত বিএনপি-জামায়াত দ্বন্দ্ব শুরু করেছে।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপায় দলীয় প্রার্থী অ্যাডভেকেট মতিউরের পক্ষে প্রচারণা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান না হলে খালেদা জিয়া এখনও জেলখানায় বন্দী থাকতো আর জামায়াতকে নিষিদ্ধ দল হিসেবে আওয়ামীলীগের মত চোরা গোপ্তা রাজনীতি করতে হতো। এক বছর না পেরুতেই এই দুই বড় দলের যে আচরণ আমরা দেখলাম তাতে হতাশ না হয়ে উপায় নেই বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
ঝিনাইদহ- ১ আসনে এবি পার্টির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় নেতা সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমানকে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তারই সমর্থনে আজ শৈলকুপার রামচন্দ্রপুর মাঠে এক সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শৈলকূপা উপজেলা আহ্বায়ক মো.শাহীন আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন, এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, কেন্দ্রীয় সহকারী জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম ও জেলা সদস্য সচিব নাজমুস সায়াদাত।
উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এলাকার গুণি-জনদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। প্রধান অতিথি গুণিজনদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানান।
পড়ুন : এবি পার্টি ও আপ বাংলাদেশের যৌথসভায় ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম গঠনের তাগিদ


