সিলেটের বিশ্বনাথে স্বর্ণের দোকানে চুরির ঘটনা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষনামা করে নিস্পত্তি করা হয়েছে। আর এই আপোসনামায় উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয় বলে উল্লেখ করা হয়।
এতে চারজন স্বাক্ষীসহ উভয় পক্ষই আপোষনামায় স্বাক্ষর করেন। তবে এঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলপাড় চলছে।
জানা যায়, রোববার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে পৌর শহরের পুরাতন বাজারের ফারজানা জুয়েলার্সে স্বর্ণের আংটি ক্রয় করতে যান দশদল কাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাজী সাদ আলীর স্ত্রী পারভীন বেগম (৩২)।
এসময় জুয়েলার্সের মালিক সেলিম উদ্দিন পছন্দের জন্য দুটি আংটি বের করে দেন। পরবর্তীতে একটি আংটি মালিক বুঝিয়া পেলে অপর আংটি খুঁজে না পাওয়ায় পারভীন বেগমকে চুরির অপবাদ দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তবে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে অপর আংটিটি জুয়েলার্সের ডেস্কের নিচে ফ্লোরে পাওয়া যায়।
এনিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হলে তাদের এই ভুল বুঝাবুঝির বিষয়টি উপস্থিত স্বাক্ষীগণের সম্মুখে আপোষে নিস্পত্তি করা হয়। এবিষয়ে ভবিষ্যতে কোন পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে কোন ধরনের অভিযোগ/ মামলা মোকদ্দমা না করার স্বর্তে উভয় পক্ষ সন্তোষ্ট হয়ে আপোষনামায় স্বাক্ষর করেন।
জানতে চাইলে থানার ওসি এনামুল হক চৌধুরী বলেন, এবিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হওয়ায় স্থানীয়দের সামনে সমাধান করা হয়েছে।
এদিকে জানতে চাইলে জুয়েলার্সের মালিক সেলিম উদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
পড়ুন : বিশ্বনাথে ইনকিলাবের বিরুদ্ধে ভুমি খেকোর মামলা, সাংবাদিকদের হুশিয়ারি


