সুনামগঞ্জে বিপুল পরিমাণ বিদেশী মদ ও ভারতীয় বিড়িসহ চারজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। বুধবার (২৯ অক্টোবর ২০২৫) গভীর রাতে সদর মডেল থানার রঙ্গারচর ইউনিয়নের রঙ্গারচর গ্রামে অভিযান চালিয়ে এসব মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দেশের একটি এলিট ফোর্স হিসেবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।র্যাবের সদস্যরা সবসময় জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থেকে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করে যাচ্ছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জের একটি আভিযানিক দল বুধবার রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে টহল ডিউটিতে থাকা অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে— সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের জনৈক কামাল উদ্দিনের টিনশেড পাকা ঘরে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের প্রস্তুতি চলছে।সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব সদস্যরা রাত ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে চারজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে। র্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে তাদেরকে আটক করে।
পরবর্তীতে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশিতে কামাল উদ্দিনের ঘরের উত্তর-পূর্ব পাশের কক্ষের খাটের নিচ থেকে তিনটি প্লাস্টিকের বস্তার মধ্যে ৩৮৭ বোতল বিদেশী মদ এবং একটি খাকি রঙের কার্টুন থেকে ৪০ প্যাকেটে ২০,০০০ (বিশ হাজার) পিস ভারতীয় বিড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কামাল উদ্দিন (৫৫), পিতা— মৃত আব্দুস সামাদ, বোরহান উদ্দিন (৩৫), পিতা— ফজর আলী, উভয়ই রঙ্গারচর গ্রামের বাসিন্দা।আলিম উদ্দিন (৪৫), পিতা— মৃত চেরাগ আলী, সাং—হরিণাপাটি, নওশাদ মিয়া (৪০), পিতা— মৃত ঈদু মিয়া, সাং— সিংপুরহাটি, থানা— সদর, জেলা— সুনামগঞ্জ।
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃতরা পরস্পর যোগসাজশে সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশী মদ ও শুল্ক ফাঁকি দেওয়া ভারতীয় বিড়ি সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করত।তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইন ও ধারায় মামলা দায়ের করে জব্দকৃত আলামতসহ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ কর্তৃপক্ষ জানায়, মাদকবিরোধী “জিরো টলারেন্স” নীতির অংশ হিসেবে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পড়ুন: আমরা তত্ত্বাবধায়ক সরকার পূর্ণবহাল করতে চাই: ওয়ায়দুল হক নাসির
দেখুন: ১ হাজার টাকায় সুনামগঞ্জ ঘোরাঘুরি । সোলেমান হাজারী
ইম/


