33.3 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ১৬:০০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ধানের শীষকে বিজয়ী করতে ঐক্যের বিকল্প নেই : জিয়াউর রহমান পাপুল

জনবান্ধব ও অত্যাধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে, আমরা সকলকে সাথে নিয়ে ভাতৃত্বেরবন্ধন স্থাপন করে কাজ করতে চাই। আমার পরিকল্পনাগুলো জনসাধারণের কাছে ইতিমধ্যেই পৌঁছে দিয়েছি, তারা আমাদের উপর আস্থাশীল হয়েছেন। তাই এই অঞ্চলের জনসাধারণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের সাদরে গ্রহণ করেছে। আপনারা সকলেই জনসাধারণের কাছে বিএনপির ৩১ দফা ও আমাদের প্রতিশ্রুতি পৌঁছে দিন। আমি আশাবাদী আপনাদের মাধ্যমে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে এই অঞ্চলে ধানের শীষের ভোট বিপ্লব হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা ও আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী জিয়াউর রহমান পাপুল এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

দাকোপ-বটিয়াঘাটা উপজেলা ও চালনা পৌরসভা বিএনপির এই যৌথ মতবিনিময় সভা গতকাল রাতে জিয়াউর রহমান পাপুলের খুলনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বটিয়াঘাটা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এজাজুর রহমান শামীম।

তিনি বলেন, গুলশান অফিসে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দিক নির্দেশনামূলক মতবিনিময় সভার আগে ও পরে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে আমাকে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। আপনাদের সাথে নিয়ে জনকল্যাণে সেই সকল কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে চাই। ইতিমধ্যে আমি অনেক কাজ শুরু করেছি ও চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন ধানের শীষ প্রতীক ক্লিন ইমেজ ও জনসম্পৃক্ত নেতার হাতে তুলে দিবেন। এই অঞ্চলের সকল ক্লিন ইমেজের নেতাকর্মী সমর্থকদের সরব উপস্থিতিই আমাদের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে, কেন্দ্রীয় বিএনপির নীতিনির্ধারকেরা আমাদের কর্মকাণ্ডের ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। আপনাদের সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আরও বেশি আন্তরিকতার সহিত দাকোপ-বটিয়াঘাটার জনসাধারণের জন্য সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে চাই। এবং আমার উপরে শীর্ষ নেতাদের আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে চাই।

তিনি উল্লেখ্য করেন, ৫ আগষ্ট ছাত্রজনতা ও বিএনপিসহ অঙ্গসহযোগী সংগঠনের তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিস্ট সরকার পালিয়ে যায়, এ সুযোগে অপরাধীরা ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করতে চেয়েছিলো, এই অঞ্চল জুড়েই চাঁদাবাজি দখলবাজি লুটতরাজ সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, আপনাদের সাথে নিয়ে তৃণমূলের প্রতিটি অঞ্চলে আমাদের পদচারণায় অপরাধীরা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ইদানীং গোপন মিটিং সিটিং এর মাধ্যমে আবারও সংঘটিত হওয়ার খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। এরা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ঘটাতে পারে বলে অত্র অঞ্চলের জনসাধারণ আশঙ্কা করছে।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা আপনাদের প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নজরদারি জোরদার করুন। কারণ লোকমুখে গুঞ্জন উঠেছে অনেক চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা দাকোপ-বটিয়াঘাটায় আশ্রয় নিয়েছে। তারা যাহাতে কোন প্রকারের অপ্রীতিকর ঘটনা ও বিশৃঙ্খল পরিবেশ কেউ তৈরি করতে না পারে।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা জেলা বিএনপির সদস্য ও চালনা পৌরসভা বিএনপির নির্বাচিত সাবেক আহবায়ক শেখ শাকিল আহমেদ দিলু, জেলা বিএনপির সদস্য জি এম রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সদস্য মনিরুজ্জামান লেলিন।

অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জামাল উদ্দিন, চালনা পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ আল আমিন সানা, খুলনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন আনো, চালনা পৌরসভা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আইয়ুব কাজী, আব্দুল বারিক শেখ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুম বিল্লাহ, বটিয়াঘাটা উপজেলা মহিলাদলের সাধারন সম্পাদক কানিজ ফাতিমা নূপুর, দাকোপ উপজেলা মহিলাদের সাধারন সম্পাদক মনজিলা পারভীন, জেলা সাইবার দলে সাধারন সম্পাদক রাসেল আহমেদ, জসিম উদ্দিন, আসাবুর রহমান, শাহিন খান, মানস কুমার গোলদার, খালেদা বেগম, জুলফিকার আলী জুলু, মাঈন উদ্দিন খান, ইসমাইল হোসেন, মোয়াজ্জেম মোল্লা, হাবিবুল্লাহ তারেক, আলামীন হোসেন রিংকু, অমিও পাল, অসিউর রহমান কিশোর, রবীন্দ্রনাথ মন্ডল, সাজ্জাদ হোসেন দুদুল, প্রকাশ বালা প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : খুলনায় এসএসসি ২০০৭ ও এইচএসসি ২০০৯ ব্যাচের জিটুজি বাস্তবায়ন কমিটি গঠন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন