সঞ্চয়ের নিরাপদ ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে প্রাইজবন্ড দীর্ঘদিন ধরে মধ্যবিত্তসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের কাছে আকর্ষণীয়। মাত্র ১০০ টাকার প্রাইজবন্ড কিনে সর্বোচ্চ ৬ লাখ টাকা জেতার সুযোগ থাকায় এটি এখনো অনেকের কাছে একটি লাভজনক বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত।
সমাজে সঞ্চয় প্রবণতা বাড়াতে সরকার ১৯৭৪ সালে ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ চালু করে। এটি যেকোনো সময় কেনা বা ভাঙানো যায়। এর ১২১তম ড্র অনুষ্ঠিত হবে আজ রবিবার, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে।
সম্প্রতি (২৮ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রাইজবন্ডের ড্র ‘সিঙ্গেল কমন ড্র’ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিটি সিরিজে প্রতি ড্রয়ে মোট ৪৬টি পুরস্কার দেওয়া হয়। এর মধ্যে—
- ৬ লাখ টাকার একটি প্রথম পুরস্কার,
- ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার একটি দ্বিতীয় পুরস্কার,
- ১ লাখ টাকার দুটি,
- ৫০ হাজার টাকার দুটি,
- এবং ১০ হাজার টাকার ৪০টি পুরস্কার রয়েছে।
প্রাইজবন্ড ড্রয়ের ফলাফল প্রকাশিত হবে আগামীকাল সোমবার (৩ নভেম্বর) দেশের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায়।


