মঞ্চে মাইক্রোফোন হাতে উঠে দাঁড়াতেই করতালিতে মুখরিত হয় তাহিরপুর উপজেলা খেলার মাঠ। হাজারো জনতার চোখ তখন নিবদ্ধ এক ব্যক্তির দিকে — তিনি সুনামগঞ্জ-১ আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী কামরুজ্জামান কামরুল।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুরে সোনালি আলোয় ভরা বিকেলটা যেন ছিলো তার নিজের। ধানের শীষের পক্ষে আয়োজিত এ গণ-সমাবেশে তিনি শুধু রাজনীতিক হিসেবে নয়, একজন হাওরের মানুষের প্রতিনিধি হয়ে কথা বলেছেন।“আমি কৃষকের সন্তান, আমি কৃষকের দুঃখ বুঝি,”— এমন ঘোষণা দিয়ে শুরু হয় তার বক্তব্য। তিনি বলেন,আমি জেলেদের সঙ্গে আন্দোলন করেছি, বারকী শ্রমিকদের পাশে থেকেছি। আমি এমন এমপি হতে চাই না, যে এমপিরা সংকটে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। আমি সাধারণ মানুষের পক্ষে কথা বলব।তার কণ্ঠে ছিলো আত্মবিশ্বাস, চোখে ছিলো প্রতিশ্রুতির দীপ্তি। জনতার হাততালি থামছিল না।
কামরুজ্জামান কামরুল বলেন “যদি জনগণ আমাকে এমপি নির্বাচিত করেন, আমি প্রতিটি হাওরে রাস্তার উন্নয়ন করব। যাতে কৃষকেরা ধান সহজে ঘরে তুলতে পারেন। হাওর অঞ্চলের এই কৃষকের ঘামে দেশের ভাত জোটে — তাদের জীবনমান উন্নয়নই আমার রাজনীতির উদ্দেশ্য।”গণ-সমাবেশটি ছিল বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার থেকে অনুপ্রাণিত। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করেন, এই ৩১ দফাই দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির পথ দেখাবে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সদর চেয়ারম্যান জুনাব আলী,এবং সঞ্চালনা করেন বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান উজ্জল।এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক,জেলা বিএনপি’র সাবেক ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রায়হান উদ্দিন,যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম বিএসসি,জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র আহ্বান কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী রানা,ও উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক আবুল হাসান রাসেল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, হাওর অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে বাস্তবধর্মী উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রয়োজন। এ সময় তারা কামরুজ্জামান কামরুলের ঘোষণাকে “হাওরবাসীর প্রত্যাশার প্রতিধ্বনি” বলে উল্লেখ করেন।
সমাবেশ শেষে পুরো মাঠজুড়ে শোনা যায় একটাই স্লোগান—“ধানের শীষের জয় হোক, কৃষকের হাসি ফিরুক।
পড়ুন: ৯৮ শতাংশ ভোট পেয়ে ফের তানজানিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন সামিয়া
দেখুন: বিএনপির সমাবেশের দুই দিন আগেই অবরুদ্ধ রাজশাহী
ইম/


