বিজ্ঞাপন

রক্তদান কার্যক্রমে অবদানের জন্য সম্মাননা পেল কোয়ান্টাম

দেশে স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখায় বিশেষ সম্মাননা পেল কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। রবিবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের লেকচার হলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস ২০২৫ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। প্রধান অতিথির হাত থেকে কোয়ান্টামের পক্ষে সম্মাননা স্নারক গ্রহণ করেন কোয়ান্টামের কো-অর্ডিনেটর রাবিয়া নাজরীন।

অনুষ্ঠানে সন্ধানী, বাঁধন, রেড ক্রিসেন্ট, বাংলাদেশ পুলিশ হসপিটাল, রোটারি ক্লাব, সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতিকেও সম্মাননা জানানো হয়। এসময় কোয়ান্টামের নিয়মিত রক্তদাতা মুস্তফা আশরাফ সিদ্দিকী ও সৈয়দা রাবেয়া বসরী সর্বোচ্চ দাতা হিসেবে সম্মাননা গ্রহণ করেন।

‘রক্তদানে হয় না ক্ষতি, চোখ ছুঁয়ে যাক চোখের জ্যোতি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে এ অনুষ্ঠানের সহযোগিতায় ছিল সন্ধানী কেন্দ্রীয় পরিষদ ও সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতি।

স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহিনুল আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সন্ধানী জাতীয় চক্ষুদান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক কাশেম, মহাসচিব ডা. মোহাম্মদ মনির হোসেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, চিকিৎসক, সন্ধানীর কর্মকর্তা, কর্মীগণ ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

এর আগে সকালে জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে জাতীয় শহীদ মিনার থেকে শাহবাগে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চত্বর পর্যন্ত এক বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : দুই যুগে ১৬ লাখ ইউনিট রক্ত সরবরাহ করেছে কোয়ান্টাম

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন