দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরও স্বাভাবিক হবে।
বুধবার (৫ নভেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেস ‘এ’-তে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, সদর দপ্তর আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (জিওসি আর্টডক) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাইনুর রহমান।
তিনি বলেন, দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকারের রূপরেখা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। সে রূপরেখার মধ্যে সময়সীমাও দেওয়া আছে। আমরা আশাকরি নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীলতা আরও ভালো হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধীরে ধীরে আরও স্বাভাবিক হবে এবং সেনাবাহিনী তখন সেনানিবাসে ফিরে যেতে পারবে। আমরা সেদিকে তাকিয়ে আছি।
নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সারাদেশে ৯০ হাজার থেকে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী সদর দপ্তর (সেনাসদর)। সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রতিটি জেলা, উপজেলা এবং আসনভিত্তিক সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইনুর রহমান বলেন, ‘দেশের জনগণের মতো সেনাবাহিনীও চায় সরকার নির্বাচনের জন্য যে রুপরেখা তৈরি করা হয়েছে, সেই অনুযায়ী হোক। নির্বাচন হলে দেশের স্থিতিশীল অবস্থা ফিরে আসবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তখন সেনাবাহিনী মাঠ থেকে ফিরে আসবে এটাই আমাদের চাওয়া। আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক এবং আমরা ক্যান্টনমেন্টে ফিরে আসি।’
তিনি বলেন, ‘কিছু স্বার্থান্বেষী মহল মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে সেনাবাহিনী এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ। যে দায়িত্ব সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে, সেটা সেনাবাহিনী পালন করবে।’
পড়ুন: পদত্যাগ করে নির্বাচন করার ঘোষণা অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামানের
আর/


