বিজ্ঞাপন

সুরের মঞ্চ ছেড়ে রাজনীতির মাঠে—বিজেপির প্রার্থী মৈথিলী ঠাকুর

ভারতের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী মৈথিলী ঠাকুর। গানের পাশাপাশি রাজনৈতিতেও যুক্ত তিনি। চলতি বছরের শুরু থেকে গুঞ্জন, বিহার রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামবেন তিনি। অবশেষে সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটলো।

বিজ্ঞাপন

এবারের বিধানসভা নির্বাচনে ১২ জনের মধ্যে মৈথিলীকে প্রার্থী হিসেবে বেছে নিয়েছে বিজেপি।

আজ বিজেপির প্রকাশিত দ্বিতীয় তালিকা ঘোষণা অনুযায়ী আলিনগর থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২৫ বছর বয়সী মৈথিলী।বিহারের মধুবনী জেলার বেনিপট্টিতে মৈথিলীর বাড়ি। মিথিলা অঞ্চল, অর্থাৎ মধুবনী ও দ্বারভাঙা এলাকাকে কেন্দ্র করেই তার পরিচিতি। ১৯৯৫ সালে লালুপ্রসাদ যাদবের আমলে মৈথিলী ঠাকুরের পরিবার বিহার ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। সেখান থেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হলেন তিনি।

এবিপির খবরে বলা হয়েছে, বিজেপির এই দ্বিতীয় তালিকায় উল্লিখিত ১২টি বিধানসভা আসনের মধ্যে নয়টিতে নতুন প্রার্থী দিয়েছে।বিহারের মধুবনী জেলার বেনিপট্টিতে মৈথিলীর বাড়ি। মিথিলা অঞ্চল, অর্থাৎ মধুবনী ও দ্বারভাঙা এলাকাকে কেন্দ্র করেই তার পরিচিতি। ১৯৯৫ সালে লালুপ্রসাদ যাদবের আমলে মৈথিলী ঠাকুরের পরিবার বিহার ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। সেখান থেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হলেন তিনি। এবিপির খবরে বলা হয়েছে, বিজেপির এই দ্বিতীয় তালিকায় উল্লিখিত ১২টি বিধানসভা আসনের মধ্যে নয়টিতে নতুন প্রার্থী দিয়েছে।

রাজনীতির বিশ্লেষকরা বলছেন, মৈথিলী ঠাকুরের মনোনয়ন বিজেপির একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। তরুণদের মধ্যে মৈথিলীর জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে মিথিলাঞ্চল অঞ্চলে তার জনপ্রিয়তাকে আরও জোরদার করতে চাইছে গেরুয়া শিবির। এখানেই আলিনগর একটি গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের জায়গা বলে মনে করছে বিজেপি। গেল ৫ অক্টোবর নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই মৈথিলীকে নিয়ে আলোচনা তীব্র শুরু হয়। পরে বিহার বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা বিনোদ তাওড়ের সঙ্গে তার একটি ছবিও প্রকাশ্যে আসে, যা জল্পনাকে আরও উসকে দেয়। নিজের ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে তাওড়ে সেই ছবি পোস্ট করে মৈথিলীকে ‘বিহার-কন্যা’ উল্লেখ করে স্বাগত জানান।

২০১১ সালে জি টিভিতে প্রচারিত একটি গানের প্রতিযোগিতা টেলিভিশন ধারাবাহিক লিটল চ্যাম্পসে অংশ নেন তিনি। চার বছর পর, তিনি সনি টিভিতে প্রচারিত ইন্ডিয়ান আইডল জুনিয়রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৬ সালে ‘আই জিনিয়াস ইয়ং সিঙ্গিং স্টার’ প্রতিযোগিতা জেতেন। পরে তিনি তার অ্যালবাম, ‘ইয়া রাব্বা’ (ইউনিভার্সাল মিউজিক) প্রকাশ করেন।

ভোজপুরি, হিন্দিসহ একাধিক ভাষায় গান গেয়ে খ্যাতি অর্জন করেছেন মৈথিলী। ২০২৪ সালে মায়ের সঙ্গে গাওয়া তার একটি গান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মুগ্ধ করেছিলেন। পরে অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধনের সময়ও সেই গানটির করেন তিনি। 

পড়ুন- ‘কওম’ না ‘আইন ? বিশ্বাস ও ন্যায়ের অনুসন্ধানে ‘হক’

দেখুন- নতুন পরিচয়ে আসছেন তাসনিয়া ফারিণ |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন