১৪/০১/২০২৬, ২২:২৩ অপরাহ্ণ
20 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ২২:২৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

পটুয়াখালীতে ঘুঘু শিকার করে ফেসবুক লাইভে রান্না ও ভোজন, যুবকের অর্থদন্ড

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ২০ টি ঘুঘু ও শালিক পাখি শিকারের পর ফেসবুক লাইভে রান্না করে ভোজনের দায়ে বায়েজিদ আমীন (২৭) নামের এক যুবককে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমান আদালত।

বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে দিকে উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের আমতলী পাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক। এসময় কলাপাড়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মোসারেফ হোসেন ও এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রশাসেনর এমন পদক্ষেপের জন্য স্বাদুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল। এর আগে মঙ্গলবার রাত দুইটায় ওই যুবক বন্ধুদের নিয়ে ফেসবুকে লাইভে এসে পাখিগুলো রান্না করেন।

এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া টিমের সদস্য ইউসুফ রনি বলেন, ঘুঘু ও শালিক রান্না করে ফেইসবুক লাইভে দাওয়াত করছেন আমীন। আমরা বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারকে অবিহিত করেছি। পরে স্যারে ঘটনাস্থলে গিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে ।

রনি আরও বলেন, ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে এসব পাখি শিকার হত্যা, আটক ও ক্রয়-বিক্রয় দন্ডনীয় ফৌজদারি অপরাধ। এতে বলা হয়েছে, পাখি নিধনের শাস্তি এক বছরের জেল, এক লাখ টাকা দন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত। একই অপরাধ পুনরায় করলে শাস্তি ও জরিমানা দ্বিগুণের বিধানও রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদীক বলেন, এনিমেল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার সদস্যদের মাধ্যমে খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে এক যুবককে অর্থদন্ড প্রদান করা হয়। পরে সে অর্থ পরিশোধ করে পাখি শিকার করবেনা মর্মে মুচলেখা দিলে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

২০১২ সালে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে এসব পাখি শিকার হত্যা, আটক ও ক্রয়-বিক্রয় দন্ডনীয় ফৌজদারি অপরাধ। ভবিষ্যতে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : গুলশান থেকে উদ্ধার লাশটি পটুয়াখালীর ছাত্রদল নেতার

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন