কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে বিক্ষুব্ধ জনতা রাজধানীর গুলিস্তানে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আগুন দেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ ১০ থেকে ১৫ জনের একটি দল কার্যালয়ের চতুর্থ তলার একটি জায়গায় কাঠ, কার্টন ইত্যাদি জড়ো করে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুনের তীব্রতা কমে গেলে সেখানে থাকা ব্যক্তিরা আবারও সেখানে আগুন লাগায়। বেলা সোয়া ১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভবনটিতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরপর আগস্ট মাসজুড়ে চলে লুটপাট। কেবল এই ভবনই নয়, রাজধানীর তেঁজগাওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয় ও ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়েও আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেও মালামাল লুট করে নেওয়া হয়। তখন থেকে এই তিন ভবন অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অনলাইনে ঘোষিত ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার পথে পথে অবস্থান নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীরা। কোথাও কোথাও মিছিল করেন তাঁরা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এ চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের রায়ের দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলার রায় আগামী ১৭ নভেম্বর (সোমবার) ঘোষণা করা হবে। মূলত এই রায় ঘিরেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
পড়ুন : জুলাই গণহত্যা মামলায় শেখ হাসিনার রায় ১৭ নভেম্বর


