জুলাই–আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আজ। রায়টি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচার শেষে সাজার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। সেই কারণে দেশ-বিদেশের মানুষের নজর এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দিকে। শেখ হাসিনার ফাঁসি না খালাস, কি আছে ভাগ্যে? এ নিয়ে মানুষের মাঝে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে এবং সবার দৃষ্টি এখন শেখ হাসিনার রায়ের দিকে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় ঘোষণা করবেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
জুলাই–আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী শাস্তি পেতে পারেন—তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অপেক্ষায় দিন গুনছেন জুলাই–আগস্ট আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ও স্বজনরা।
রায়কে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গেট এবং আশপাশের এলাকায় রোববার (১৬ নভেম্বর) থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব ও বিজিবির পাশাপাশি সেনাবাহিনীও মোতায়েন রয়েছে। ১৩ নভেম্বর রায়ের তারিখ ঠিক হওয়ার পর থেকেই গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও তৎপর রয়েছেন।
পড়ুন: শেখ হাসিনার রায় ঘিরে নিরাপত্তার চাদরে রাজধানী ঢাকা
আর/


