বিজ্ঞাপন

জামালের চোখে এটাই শক্তিশালী স্কোয়াড, ভারতকে হারানোর ইচ্ছাপ্রকাশ

২০১৩ সালে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়ান জামাল ভূঁইয়া। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেছেন ৯২টি ম্যাচ। এর মধ্যে ভারতের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত খেলেছেন ৬ ম্যাচ, তবে তার কোনোটিতেই জয়ের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। এবার অন্তত সেই গেরো খুলতে চান অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।

এক হামজা চৌধুরী এসেই বদলে দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের চেহারা। তারপর যোগ দিয়েছেন ফাহামেদুল ইসলাম, শমিত সোম, জায়ান আহমেদ, কিউবা মিচেলের মতো ফুটবলাররা। রাস্তাটা অবশ্য দেখিয়ে দিয়েছেন জামাল ভূঁইয়া।

বাংলাদেশ দল এখন অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ। জামালের চোখে এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড। তাই এবার ভারতকে হারানোর সুযোগও দেখছেন তিনি। ‘আমরা যে অবস্থায় আছি, এটাই বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী স্কোয়াড। তাই অবশ্যই আমাদের একটা বড় সুযোগ আছে।’

২০২৫ সালে ৭ ম্যাচ খেলে শুধু ভুটানের সঙ্গে জিতেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) জাতীয় স্টেডিয়ামে ভারতকে হারিয়ে বছরটা অন্তত জয় দিয়ে শেষ করার প্রত্যাশা জামাল ভূঁইয়ার। ‘এটা অনেক আবেগের ম্যাচ, উত্তেজনার ম্যাচ। এই ম্যাচের পর জাতীয় দলের জন্য অনেক লম্বা বিরতি আছে। বছরটা যদি জয় দিয়ে শেষ করতে পারি, তা শুধু আমাদের জন্য নয়, সমর্থক ও আপনাদের জন্যও ইতিবাচক হবে।’

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ হওয়ায় বাড়তি আবেগও কাজ করছে বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে। জামাল বললেন, অনেক ব্যতিক্রম কিছু হতে পারে, তবে সবকিছুকে স্বাভাবিকভাবে নিতে হবে। ‘ম্যাচটি আবেগের, আমাদের মস্তিষ্ক ব্যবহার করে খেলতে হবে। কালকের ম্যাচে অনেক ফ্রি কিক হবে, হলুদ কার্ড হবে, গালাগালি হবে। তবে আমি এসব কিছুকে স্বাভাবিকভাবে নেব।’

তবে নিজেদের রক্ষণের দুর্বলতাও চোখে পড়েছে জামাল ভূঁইয়ার। কিন্তু ভারত আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললে বাংলাদেশও গোল করার সুযোগটা কাজে লাগাবে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ‘ডিফেন্সে আমাদের সমস্যা আছে। তবে ভারত যদি অনেক ওপরে উঠে খেলে, তাহলে আমরা সামনে অনেক জায়গা পাব। আক্রমণে যারা খেলবে ওরা অনেক গতিময় খেলোয়াড়। রাকিব সম্ভবত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে দ্রুতগতির খেলোয়াড়। তাকে যদি ঠিকমতো ব্যবহার করতে পারি, তাহলে ভারতের যে-ই থাকুক না কেন, রাকিব যে-কোনো রক্ষণ তছনছ করতে পারে।’

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ঢাকায় এসেছে ভারতীয় ফুটবল টিম

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন