বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকাল ১০ টার দিকে বরগুনার তালতলী উপজেলার পায়রা, বিষখালী ও বলেশ্বর—এই তিন নদ–নদীর মিলন মোহনায় ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পায়রা নদী ইলিশ রক্ষা কমিটির আয়োজনে এ কর্মসূচিতে অর্ধশত জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।
এ সময় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর (তালতলী-আমতলী) সমন্বয়ক আরিফুর রহমান, ইউপি সদস্য সহিদ আকন, উন্নয়নকর্মী এম মিলন, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী মো. মোস্তাফিজ, মো. নাঈম ইসলাম, তালতলী চারুকলা একাডেমীর পরিচালক রফিকুল ইসলাম অন্তর প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানি বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান উৎস। শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহন খাতে অতিরিক্ত জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের গতি আরও বাড়ছে। বরিশাল ৩০৭ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দূষিত বর্জ্য পায়রা নদীতে ফেলানোর কারণে নদীতে ইলিশ মাছ কমে যাচ্ছে। এছাড়াও নির্গত কালো ধোঁয়ায় সওদাগপাড়া সবজি পল্লী ও টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের জীববৈচিত্র্যসহ এলাকার মানুষের কৃষি ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে।
তাই অবিলম্বে এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধসহ বাংলাদেশের সকল কয়লাভিত্তক বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করতে হবে। একইসাথে জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে আমরা যাতে টিকে থাকতে পারি সেই উদ্যেগ গ্রহণ করার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহবান জানানো হয়।


