১২/০২/২০২৬, ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১২/০২/২০২৬, ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ঝিনাইদহ জাল সনদে চাকরি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের দায়ে প্রধান শিক্ষকের কারাদন্ড

জাল সনদে চাকরি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে ঝিনাইদহে রনি আক্তার (৪০) নামে এক প্রধান শিক্ষককে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বিজ্ঞাপন

অভিযুক্ত রনি আক্তার সদর উপজেলার প্রিন্সিপাল মোশাররফ হোসেন সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ সহ কয়েকটি অপরাধের দায়ে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থদন্ড করা হয়েছে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আনোয়ার হোসেন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দন্ডিপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রনি আক্তার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দুর্গাপুর নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামের নরুল ইসলামের ছেলে।

মামলা সুত্রে জানা গেছে, আসামী রনি আক্তার গোয়ালপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে নিজের শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদপত্র তৈরি করে বিদ্যালয়ে চাকরি করে আসছিলেন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সুবাদে তিনি নিয়োগ বানিজ্যসহ স্কুলের অর্থ আত্মসাৎ করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের জুলাই মাসে বিদ্যালয়টি এমপিও ভুক্ত হয়। এমপিও ভুক্ত হওয়ার পর আসামী রনি আক্তার তার সরকারি বেতন ভাতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর তার শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র দাখিল করেন। আসামীর দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদসহ অন্যান্য কাগজ পত্র যাছাই বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃকপক্ষ রনি আক্তারের সনদপত্র ভুয়া ও জাল বলে প্রমাণিত হয়। এর জেরে তার সরকারি বেতন ভাতাও বাতিল করা হয়।

সরকার পক্ষের কৌসুলি এ্যাডভোকেট এ এস এম রাকিবুল হাসান বলেন, দীর্ঘ শুনানি শেষে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত এ রায় দিয়েছেন। সনদপত্র জালিয়াতি ও প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি আদালতে আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর রনি আক্তারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সনদ দিয়ে চাকরি করার অভিযোগে আদালতে মামলা করেন প্রিন্সিপাল মোশাররফ হোসেন সালেহা খাতুন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার। বিজ্ঞ আদালতে দীর্ঘ সাক্ষ্য প্রমাণ ও শুনানি শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় এ রায় প্রদান করেন। আসামী পক্ষে অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম মামলাটি পরিচালনা করেন।

পড়ুন- আড়াই কেজি ওজনের ইলিশ ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি

দেখুন- ৪৭তম বিসিএস পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের বাধা 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন