মাঠঘাট শুকিয়ে যাওয়ায় ঠান্ডা পরিবেশে চাঁদপুরে শীতকালীন সবজি আবাদে ব্যস্ত চাষীরা। তবে চাষাবাদের খরছ পোষাতে সার সহায়তাসহ সরকারি সহায়তার প্রয়োজনের কথা বললেন চাষীরা। যদিও সার ব্যবসায়ি নেতার মতে, আগের মতো সরকারি বরাদ্দ নেই বলেই বাজারে সারের সংকট ও দাম বেশি। কিন্তু কৃষি বিভাগ বলছে, সারের কৃত্রিম সংকট দেখানো হচ্ছে বাজারে। উন্নত প্রযুক্তিতে চাষাবাদ করলেই চাষীরা খরছ পোষাতে পারবে।
বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) চাঁদপুর জেলা সদরের কাছাকাছি ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৯নং উত্তর গোবিন্দপুরের ১নং ওয়ার্ডের সোবান গ্রামে গেলে চাষীদের কর্মব্যস্ততা দেখা যায়।
স্থানীয় চাষীরা বলছেন, শুকনো মাঠের পর মাঠে কচুরি পানা পচিয়ে তার ওপর চলছে শীতকালীন সবজি আবাদ। আবার এখানে অনেকে করছে নানা প্রজাতির চারা উৎপাদনও। এখানকার সব চাষীদের চোখে মুখে হতাশা। কারন এতো এতো পরিশ্রম ও টাকা পয়সা খরছ করে এই সবজি আবাদ ও চারা উৎপাদন করা হলেও বাজারে বিক্রি শেষে পুষবে ত এই খরছ? তাই চাই সরকারি পৃষ্টপোষকতা, সার ও অর্থ সহায়তা।
জানা যায়, এবার চাঁদপুর জেলার ৮ উপজেলাতে মোট ৬ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে শাকসবজির লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হলেও এখন পর্যন্ত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৬৬৫ হেক্টর। তবে সময়ের সাথে সাথে এই অগ্রগতি বাড়াতে মাঠ পর্যায়ে কাজ চলছে বলে দাবী কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের।
সার সঙ্কটের কথা স্বীকার করে চাঁদপুর জেলা ফার্টিলাইজার এসোসিয়েশনের সহসভাপতি মোঃ মহসীন পাটোয়ারী বলেন, আগের মতো এখন আর সরকারি বরাদ্দ না পাওয়া যাওয়ায় বাজারে সারের কিছুটা সংকট রয়েছে। তবুও সামঞ্জস্যতা রেখে সারের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে রেখেছে সার ব্যবসায়ীরা।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা কৃষি অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আবু তাহের বলেন, সারের কৃত্রিম সংকট দেখানো হচ্ছে বাজারে। মূলত এ জেলায় এখনো সার সংকট নেই। উন্নত প্রযুক্তিতে চাষাবাদ করলেই চাষীরা খরছ পোষাতে পারবে। তাদের জন্য নানা পরামর্শ দিয়ে আমরা প্রান্তিক পর্যায়েও কাজ করছি।
পড়ুন: দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেঁতুলিয়ায়
আর/


