সার্টিফিকেট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন হওয়ায় আগামীকাল শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় মাছ রপ্তানি শুরু হচ্ছে। দুই দিন রপ্তানি বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীদের যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, সমাধানের খবরে তাতে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাছ ও শুঁটকি রপ্তানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ব্যবসায়ীরা জানান, রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় বিশেষ সার্টিফিকেট অনলাইনে গ্রহণের বাধ্যবাধকতা তৈরি হলেও সংশ্লিষ্ট অনলাইন সিস্টেম চালু না থাকায় রপ্তানি আটকে যায়।
আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফারুক মিয়া বলেন, “মাছ ও শুঁটকি পাঠানোর জন্য উপজেলা মৎস্য দপ্তর থেকে একটি বিশেষ সার্টিফিকেট নিতে হয়। ১৩ নভেম্বর এনবিআর থেকে জানানো হয় যে এই সার্টিফিকেট আর ম্যানুয়ালি নয়, অনলাইনে নিতে হবে। কিন্তু অনলাইনে সার্টিফিকেট ইস্যুর কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।”
তিনি জানান, বুধবার প্রায় দুই কোটি টাকার মাছ রপ্তানির প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। পরে একজন কর্মকর্তার বিশেষ অনুমতিতে জটিল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সেদিন মাছ ভারতে পাঠানো সম্ভব হয়। কিন্তু বৃহস্পতিবার থেকে অনলাইন সার্টিফিকেট ছাড়া রপ্তানি বন্ধের নির্দেশনা আসায় ব্যবসায়ীরা রপ্তানি বন্ধ রাখেন।
ফারুক মিয়া আরও বলেন, “আজ বিকেলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। তারা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। ফলে আগামীকাল সকাল থেকেই রপ্তানি চালু হবে বলে আমরা আশা করছি।”
আখাউড়া উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, “অনলাইনের বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে। এখন আর সার্টিফিকেট নিয়ে কোনো জটিলতা নেই। আশা করছি কাল সকাল থেকেই রপ্তানি স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।”
প্রতিদিন এই স্থলবন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ ও শুঁটকি ভারত রপ্তানি করা হয়। রপ্তানি বন্ধ থাকায় কয়েক কোটি টাকার ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

