১৫/০১/২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

দালালের খপ্পরে পড়ে ভারতে গিয়ে আটক চার যুবতী : পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত

দালালের খপ্পরে পড়ে চার যুবতী সীমান্ত পেরিয়ে পাড়ি জমায় ভারতের আসাম রাজ্যের রাজধানী গুয়াহাটিতে।

বিজ্ঞাপন

সেখানে আসাম পুলিশের হাতে আটক হয় তারা। পরে তাদেরকে কুড়িগ্রামের সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির হাতে হস্তান্তর করে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী (বিএসএফ)।


ওই চার যুবতী হলো পাবনা সদর থানার মালিগাছা গ্রামের আব্দুল আউয়াল মিয়ার মেয়ের আখি খাতুন (২০), ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মিরপুর থানার বাঞ্চারামপুর গ্রামের হাবিব মিয়ার মেয়ে আদিবা আকতার (২৩),নেত্রকোনার দূর্গাপুর থানার বাওয়ই পাড়ার নাছির উদ্দিনের মেয়ে শিরিনা আকতার (২৬), শরিয়তপুরের নড়িয়া থানার লুংসিং গ্রামের হিরু সরদারের মেয়ে তাসমিয়া আকতার (১৮)।


চার যুবতী ঢাকার বাড্ডা থানার নুতুন বাজার এলাকায় একটি বাসায় ভারা থাকতেন। তাদের তিনজন একটি বিউটি পার্লারে এবং একজন গার্মেন্টসে কাজ করতেন।
আখী আকতার জানান, তাদের পূর্বপরিচিত জান্নাত নামের এক নারীর প্রলোভনে তারা কাউকে কিছু না জানিয়ে ২২ নভেম্বর সিলেটের জাফলং সীমান্ত পার হয়। সীমান্তের ওপারে তাদের জন্য একটি প্রাইভেট কার অপেক্ষা করছিলো। সেই কারে উঠে তারা আসামের রাজধানী গুয়াহাটি পৌছান। ২৩ নভেম্বর পুলিশ তাদের আটক করে। আখি আরো জানান, আমরা উন্নত জীবন আর ভালো কাজের লোভে পড়ে ভারতে পারি জমিয়েছিলাম।


পরে ২৬ নভেম্বর বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার পূর্বকেদার সীমান্তের মেইন পিলার ১০১৫ এর সাব পিলার ১৪ এস এর নিকটে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে তাদেরকে হস্তান্তর করে বিএসএফ। বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন কেদার কোম্পানি সদরের হাবিলদার শাহজাহান আলী এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন রুস্তম ক্যাম্পের ইন্সপেক্টর ধিরেন্দ্র কুমার।
কুড়িগ্রাম ২২ ব্যাটালিয়ন এর কেদার কোম্পানির হাবিলদার শাহজাহান আলী জানান, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চার যুবতীকে বিজিবির জিম্মায় নেয়া হয়। পরে সন্ধ্যায় তাদেরকে কচাকাটা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লুৎফর রহমান জানান, অভিভাবকদের খবর দেয়া হয়েছে। চার যুবতীকে তাদের অভিভাবকদের কাছে দেয়া হবে।

পড়ুন- ঝালকাঠির শিক্ষার্থীদের হাত ধরে সারাদেশে জলবায়ু অভিযাত্রা

দেখুন- সব হারিয়ে নিঃস্ব বস্তিবাসী, ধ্বংসস্তুপে এবার বেঁচে থাকার লড়াই | 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন