28.8 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ১৮:২৭ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশকে ১৮২ রানের টার্গেট দিল আয়ারল্যান্ড

বাংলাদেশের সামনে বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে সফরকারী আয়ারল্যান্ড। দলটির দুই ওপেনার পেয়েছে উড়ন্ত সূচনা।  তাদের গড়ে দেয়া ভিতের অপর দাঁড়িয়ে দ্রুত রান তুলেছেন বাকি ব্যাটাররা। তাতেই বড় সংগ্রহ গড়ে আইরিশরা।  প্রথম টি-টোয়েন্টি জিততে হলে টাইগারদের করতে হবে ১৮২ রান।

বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেনেন্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কিন্তু আগে ব্যাট করতে নামা আয়ারল্যান্ড শুরু থেকেই বড় সংগ্রহের ইঙ্গিত দেয়। দুই ওপেনার পল স্টার্লিং এবং টিম টেক্টর মিলে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ৪০ রান। ১৮ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন স্টার্লিং। তবে পাওয়ারপ্লের ৬ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে আইরিশরা ৪৮ রান তুলে নেয়।

তিনে ব্যাটিংয়ে নামেন হ্যারি টেক্টর। পাওয়ারপ্লে শেষেও চলেছে আইরিশদের ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং। দুই টেক্টর ভাইয়ের উইলোবাজিতে রানের গতি বাড়ে। ১৯ বলে ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে টিম টেক্টর থামেন দলের ৭১ রানের মাথায়। চারে নামা লরকান টাকার বেশি একটা সুবিধা করতে পারেননি। তিনি ১৪ বলে ১৮ রান করে দ্রুত সাজঘরে ফেরেন।

এরপর হ্যারি টেক্টরের সঙ্গে ক্রিজে যোগ দেন কার্টিস ক্যাম্ফার। এই দুজনের জুটিতে আবার রানের গতি বাড়ে। ক্যাম্ফার ১৭ বলে ২৪ রানের ইনিংস খেলে আউট হলেও, একপ্রান্ত আগলে রাখেন হ্যারি টেক্টর। তিনি তুলে নেন দারুণ এক অর্ধশতক। এরপর জর্জ ডকরেলকে সঙ্গে নিয়ে শেষের দিকে তাণ্ডব চালান হ্যারি টেক্টর। ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিংয়ে আয়ারল্যান্ডের রান ১৮০ পার করান তিনি।

নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে আয়ারল্যান্ড। শেষ ওভারে ১৭ রান আসে। ৪৫ বলে অপরাজিত ৬৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন হ্যারি টেক্টর। ৭ বলে ১২ রান করে অপরাজিত ছিলেন জর্জ ডকরেল।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তানজিম হাসান সাকিব ২টি উইকেট শিকার করেছেন। এছাড়া শরিফুল ইসলাম এবং রিশাদ হোসেন ১টি করে উইকেট লাভ করেন। বাংলাদেশের জয়ের জন্য এখন ১৮২ রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়া করতে হবে।

পড়ুন : প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টসে জিতে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন