০১/০৩/২০২৬, ২২:৪৮ অপরাহ্ণ
24.5 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ২২:৪৮ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

আদিবাসীদের শিক্ষা ও অনগ্রসর ব্যবস্থা উন্নয়নে কাজ করবে বিএনপি : ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, “এ অঞ্চলে যারা আদিবাসী আছেন, তারা শত শত বছর যাবত এ অঞ্চলে বসবাস করছেন। অত্যন্ত শান্তি প্রিয়ভাবে তারা থাকেন। সোসাইটিটে শিক্ষা ক্ষেত্রে ও সামাজিক উন্নয়নের দিকে দেখেন- তাদের ব্যাপক কন্ট্রিবিউশন আছে। এই কন্ট্রিবিউশনটাকে আমরা ধারণ করি। আমরা আগেও বলেছি- আমাদের দল যদি রাষ্ট্র পরিচালনায় আসেন, তাহলে আধিবাসীদের উন্নয়নের জন্য, বিশেষ করে তাদের শিক্ষা এবং তাদেরকে অনগ্রসর ব্যবস্থার যে জিনিসগুলো আছে সেগুলোর উন্নয়নে আমরা কাজ করবো।”

নেত্রকোনার দুর্গাপুর বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির আয়োজনে এবং মেঘালয়ের সীমান্ত ঘেষা এলাকা কলমাকান্দার পাঁচগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ২৮ ও ২৯ নভেম্বর দুই দিনব্যাপী গারো সম্প্রদায়ের ওয়ানগালা উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “ইতোমধ্যে আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে বা সামাজিভাবে বিভিন্ন প্রচেষ্টা করেছি; যাদের ঘর নেই, তাদেরকে যেমন- লেংগুরা বিমলা হাজং আছেন, তাকে আমাদের উদ্যোগে ঘর করে দিচ্ছি। আনিকা নামে একটা মেয়ে আছে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। এ রকম যখন যেখানে পারি চেষ্টা করছি। সামগ্রিকভাবে আমরা আদিবাসীদের আর্থ-সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক বিশেষ করে- তাদের শত বছরের ঐতিহ্যে লালিত সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল আছে, সেটাকে ধরে রাখার জন্য এবং তা উন্নত করার জন্য বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি আছে, সে একাডেমিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল মূলত সাংস্কৃতি মেলবন্ধনের জন্য। সেই সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা এবং বিকশিত করার জন্য যা যা প্রয়োজন আমরা আগামিতে সেই ব্যবস্থা নিবো ইন্‌শআল্লাহ।”

এতে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিলের সভাপতিত্বে ও একাডেমির নৃত্য শিক্ষক মালা মার্থা আরেংয়ের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত বক্তব্য রাখেন- নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, বাংলা একাডেমির সংস্কৃতি, পত্রিকা ও মিলাতায়ন বিভাগের পরিচালক ও কবি ড. সরকার আমিন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও কথাসাহিত্যিক মঈনুল হাসান, কারিতাসের প্রোগ্রাম পরিচালক অপুর্ব ম্রং প্রমুখ।

এ উৎসবে যোগ দেন নেত্রকোনা, ধোবাউড়াসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা পাঁচটি দল। তারা নিজস্ব সংস্কৃতিতে নৃত্য পরিবেশন করেন। নৃত্যের মাধ্যমে বিভিন্ন যুদ্ধ কৌশল সংগঠিতসহ নানা কিছু প্রদর্শন করেন।

নতুন প্রজন্মকে নিজেদের সংস্কৃতি সম্পর্কে ধারণা দিতেও এই উৎসবের ধারবাহিকতা চলে আসছে বলে জানান আয়োজক এবং গারো সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : নেত্রকোনায় ৮ দফা দাবিতে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি ধর্মঘট ও বিক্ষোভ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন