ইন্টার মিয়ামির হয়ে নতুন ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। ক্লাবটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের ফাইনালে উঠেছে ডেভিড বেকহামের মালিকানাধীন দলটি। রোববার সকালে ইস্টার্ন কনফারেন্সের ফাইনালে নিউ ইয়র্ক সিটি এফসিকে ৫–১ গোলে উড়িয়ে দেয় মিয়ামি।
তবে ম্যাচের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন আরেক আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড—তাদেও আইয়েন্দে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিনি হ্যাটট্রিক করেন। মিয়ামির অন্য দুটি গোল করেন মাতেও সিলভেত্তি ও তেলাস্কো সেগোভিয়া। এ জয়ের ফলে ৬ ডিসেম্বর এমএলএস কাপের ফাইনাল আয়োজন করবে ইন্টার মিয়ামি। সেখানে তারা ওয়েস্টার্ন কনফারেন্সের চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হবে।
ম্যাচের শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে মিয়ামি। ১৪ মিনিটে সার্জিও বুসকেটসের পাস ধরে নিচু শটে প্রথম গোল করেন আইয়েন্দে।
২৩ মিনিটে জর্দি আলবার ক্রসে হেড করে নিজের দ্বিতীয় গোল যোগ করেন তিনি। ৩৭ মিনিটে ম্যাক্সি মোরালেসের ফ্রি-কিক থেকে জাস্টিন হক হেডে গোল করে ব্যবধান কমান—২-১ স্কোরে বিরতিতে যায় দুই দল।
৬৬ মিনিটে নিউ ইয়র্ক সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেলেও রোকো রিওস নোভোর অসাধারণ সেভে বেঁচে যায় মিয়ামি।
এক মিনিট পরই লিওনেল মেসির পাস থেকে গোল করেন সিলভেত্তি। একই সঙ্গে মেসি ভেঙে দেন ৫৯ বছরের পুরোনো এক বিশ্বরেকর্ড (বিশেষ পরিসংখ্যান চাইলে আলাদা ব্যাখ্যা করে দিতে পারি)। ৮৩ মিনিটে জর্দি আলবার সঙ্গে চমৎকার ওয়ান-টু পাসে গোল করেন সেগোভিয়া। ৮৯ মিনিটে ম্যাচের শেষ দিকে আইয়েন্দে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে মিয়ামির বড় জয়ে স্বাক্ষর রাখেন।
মেসি দলে যোগ দেওয়ার পর ইন্টার মিয়ামি জিতেছে লিগস কাপ ২০২৩ এবং সাপোর্টার্স শিল্ড ২০২৪। তবে এমএলএস কাপের ফাইনাল ছিল অধরা। এবার তা পূরণ হলো। এখন তাদের লক্ষ্য—প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপের শিরোপা জেতা।
পড়ুন: সাবেক মেয়র আনিসুল হকের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
আর/


