২৫/০২/২০২৬, ১৪:২৪ অপরাহ্ণ
30.6 C
Dhaka
২৫/০২/২০২৬, ১৪:২৪ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি: হাসিনা–রেহানা–টিউলিপসহ ১৭ জনের রায় আজ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করা হবে।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (১ ডিসেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করবেন। গত ২৫ নভেম্বর এ দিন নির্ধারণ করেন আদালত।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন—শেখ রেহানা, তার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের পিএ মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, উপ-পরিচালক নায়েব আলী শরীফ, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

আসামিদের মধ্যে খুরশীদ আলম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, আর বাকিরা পলাতক। আগের শুনানিতে দুদকের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন প্রসিকিউটর তরিকুল ইসলাম এবং আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের প্রত্যাশা জানান। খুরশীদ আলমের পক্ষে আইনজীবী শাহীনুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে খালাস চান। তবে পলাতক আসামিদের পক্ষে কোনো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়নি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

মামলা সূত্র জানা যায়, পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন মামলা করেন। তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১০ মার্চ ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ৩১ জুলাই আদালত অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে এবং বিচার চলাকালে ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

পড়ুন: সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিত সদস্যদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: প্রধান উপদেষ্টা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন