১৪/০১/২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

শান্তি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য দায়ী বিগত সরকার

আজ ২রা ডিসেম্বর।১৯৯৭ সালের এই দিনে পাহাড়ের চলমান সংঘাত থামাতে জনসংহতির সমিতির সাথে চুক্তির করে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার। বিভিন্ন মেয়াদে প্রায় ২০ বছর ক্ষমতায় থাকলেও চুক্তির পুনাঙ্গ বাস্তবায়ন না হওয়ার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করছে আঞ্চলিক সংগঠনগুলো। অবিলম্বে চুক্তি বাস্তবায়নে ৮ দফা দাবি ঘোষণা করেছে জনসংহতি সমিতি।

বিজ্ঞাপন

প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা পাহাড়ের সংঘাত বন্ধ করতে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের মধ্যে ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যা শান্তি চুক্তি নামে পরিচিত। চুক্তির ২৭ বছর পেরিয়ে গেলেও পাহাড়ে সংঘাত কমেনি। চুক্তির পরবর্তী সময়ে পাহাড়ে নতুন করে তিনটি আঞ্চলিক সংগঠনের সৃষ্টি হয়েছে। চুক্তি পরবর্তী টানা ১৬ বছরসহ ২০ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলেও শান্তি চুক্তির পুনাঙ্গ বাস্তবায়ন করেনি বলে অভিযোগ আঞ্চলিক সংগঠনগুলো। এজন্য আওয়ামী লীগের সদিচ্ছাকে দুষছেন তারা।

ইউপিডিএফ গনতান্ত্রিক এর সাংগঠনিক সম্পাদক অমর জ্যোতি চাকমা বলেন, এই ২৮ বছর হয়ে গেল চুক্তি কিন্তু পুনাঙ্গ বাস্তবতায়ন হয়নি। যে সরকার চুক্তি করেছিল তাদেরও সদিচ্ছার অভাব ছিল। চুক্তি বাস্তবায়ন যদি না হয় সেজন্য পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকারই দায়ী থাকবে।

অন্যদিকে জেলা বিএনপির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া’র দাবি শান্তি চুক্তির মধ্য দিয়ে পাহাড়ে বৈষম্য এবং বিভেদ বাড়ানোর পাশাপাশি পাহাড়িদের মধ্যে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বাড়িয়েছে। চুক্তির পর পাহাড়ে অস্ত্রের ব্যবহার আরো বেড়েছে। চুক্তি করে আওয়ামী লীগ জনগণের সাথে প্রতারণা করেছে বলে দাবি এই বিএনপির নেতা

এদিকে অবিলম্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির পূর্নাঙ্গ বাস্তবায়নে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।

জেএসএস( এমএন লারমা) সাংগঠনিক সম্পাদক সুধাকর ত্রিপুরা বলেন, দ্রুত চুক্তি মোতাবেক ভূমি কমিশনের বিধিমালা প্রণয়নপূর্বক দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম শুরু করার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে “১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি” কার্যকর রাখাসহ ৮ দফা দাবি জানায় সংগঠনটির অন্যতম শীর্ষ নেতা।

চুক্তি মোতাবেক পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলা পরিষদে সাধারণ প্রশাস পুলিশ, ভূমি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা, উপজাতীয় আইন ও সামাজিক বিচার কার্যাবলী ও ক্ষমতা নির্বাহী মাধ্যমে হস্তান্তরের দাবি জানান।

উল্লেখ্য পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ৪৮টি ধারা বাস্তবায়িত, ১৫টি আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে। ৯ টি ধারা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

পড়ুন- চুয়াডাঙ্গায় জবাই করে এক কৃষককে হত্যা

দেখুন- মাদারীপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে যাত্রীভর্তি বাসের ধাক্কা, অতঃপর

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন