বিজ্ঞাপন

সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করে পার্ক নির্মাণ করলেন ইউএনও

ভেদরগঞ্জ উপজেলার সামনের সরকারি জমি উদ্ধার করে পার্ক তৈরি করার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ নিয়ে ভেদরগঞ্জবাসীর কাছে দৃষ্টান্ত নজীর হলেন ইউএনও আবু আবদুল্লাহ খান । এর খুব শিগগিরই অসাধু ব্যক্তিদের মাধ্যমে দখল হয়ে যাওয়া সরকারি ভূমি জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এবং এতে করে পৌর এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্যোগ দখলদারদের বিরুদ্ধে একটি দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে এবং কেউ কেউ বলছেন সরকারি জমি রক্ষায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

বিজ্ঞাপন

সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, অতীতে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সামনের অংশে ছিলো অসংখ্য চা’র দোকান ও অটো রিকশার স্ট্যান্ড । খালের পাশেই বিভিন্ন ময়লা ফেলত। এরপর জায়গাটি ময়লার ভাগারে পরিচিত ছিল। পরিবেশ দুষন হত। আর সেই জায়গাটিই এখন একটি আধুনিক শিশু পার্ক। ভেদরগঞ্জ উপজেলা চত্বরে বহু বছর ধরে জমে থাকা ময়লার স্তুপ, দূর্গন্ধ, আবর্জনায় ভরা পরিত্যক্ত জমি যেন হঠাৎ প্রকৃতি রুপ ফিরে পেয়েছে। পার্কটির সবচেয়ে নিদর্শন হচ্ছে ভেদরগঞ্জ ‘উপজেলা নামফলক ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার মানচিত্র, শিশুদের খেলনাসহ নানাবিদ উপকরন।

উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আবদুল্লাহ খান যোগদানের পরপরই বেশকিছু বিশেষ বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন। তার এ উদ্যোগ, পরিকল্পনা স্বপ্ন বাস্তবায়নের দিকে আইনগতভাবে কিছু চ্যালেঞ্জ অতিবাহিত হতে হয়েছে। পার্কটির নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে এবং খুব শিগগিরই এটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

জানা যায়, বহু আগে থেকেই উপজেলা সামনের উত্তরপাশে একপাশে গড়ে উঠেছিল অবৈধ স্থাপনা, অন্যপাশে জমে থাকত এলাকার সব ধরনের ময়লা-আবর্জনা আর অটোস্যান্ডের দখলে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে ইউএনও এটিকে জনবান্ধব একটি স্থানে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেন।

প্যাসিফিক স্কুলের প্রিন্সিপাল মোজাম্মেল হক বলেন, এই কাজটি একটি সুন্দর হয়েছে বটে। ইউএনও স্যারকে ধন্যবাদ জানাই। এই শিশু পার্কটি হওয়াতে বিকাল বেলায় আমাদের স্থানীয় ছাত্রছাত্রী ও শিশুরা খেলাধুলা করতে পারবে। তাছাড়া ভেদরগঞ্জে উন্মুক্ত কোন পার্ক নেই। ভেদরগঞ্জবাসীর জন্য একটি দৃষ্টান্ত করে গেলেন তিনি।

ঘুরড়ে আশা একজন শিশু খুশিতে বলেন,এখানে অনেক খেলার জিনিস। আমার অনেক আনন্দ লাগছে।

পৌরসভার বাসিন্দা উজ্জ্বল বলেন, এখানে ছিল শুধু ময়লা আবর্জনায় ভরা। আর অভেধভাবে তৈরি বিভিন্ন দোকান। এখন ইউএনও স্যার এসে এগুলা উচ্ছেদ করে একটি পার্ক করেছেন।আমাদের তার প্রতি কৃতজ্ঞতা রইলো।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু আব্দুল্লাহ খান বলেন, প্রথমত সরকারি কয়েক কোটি টাকার মুল্যে সম্পদ বেদখল ও ময়লা আবর্জনায় ভরপুর ছিল দেখে আমি একটি পরিকল্পনা করে ডিসি মহোদয়ের পরামর্শ মোতাবেক একটি উদ্যোগটি হাতে নিয়েছি। এখানে অভিযান পরিচালনা করে প্রথমে দখলমুক্ত করি। এরপরে একটি দৃষ্টিনন্দন শিশু পার্ক ও ভেদরগঞ্জের নামফলক মানচিত্র সহ নানা রকমের আইটেম তৈরি করি। আগামি শনিবার শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক মহোদয় এই পার্ক উদ্বোধন করবেন।

পড়ুন: শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর হবে জাতীয় নির্বাচন-গণভোট: প্রধান উপদেষ্টা

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন