বিজ্ঞাপন

পাকিস্তানকে হারিয়ে সিরিজে সমতায় ফিরলো বাংলাদেশ

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে সহজ লক্ষ্য পেলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেরেছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দল। দ্বিতীয় ম্যাচেও ব্যাটিংয়ে কিছুটা ছন্দপতন হয়েছিল। তবে সুমাইয়ার আক্তারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পর সাদিয়া আক্তারের ক্যামিও ইনিংসে জয় তুলে নেয় লাল সবুজরা।

কক্সবাজারে শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ক্রিকেট দলকে ৩ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ সমতায় ফিরলো স্বাগতিকরা। রান তাড়ায় নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ৬ বল হাতে রেখেই ৮১ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলার মেয়েরা।

পাকিস্তানের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৪ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়েছিল স্বাগতিকরা। ৮ বলে ২ রান করে রোজিনা আকরামের বলে বোল্ড হন অধিনায়ক অরিত্রি মণ্ডল। এরপর সুবিধা করতে পারেননি অচেনা জান্নাত, সাদিয়া ইসলাম ও মায়মুনা নাহার। জান্নাত ২৩ বলে ৯, সাদিয়া ইসলাম ৫ বলে ২ আর মায়মুনা ৫ বলে ১ রান করে আউট হন। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখেন ওপেনার সুমাইয়া। তাকে পঞ্চম উইকেট সঙ্গ দেন ফারজানা ইয়াসমিন। দুজনের জুটিতে জয়ের পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছিল স্বাগতিকরা। কিন্তু দলীয় ৬৩ রানে ৩ বলের ব্যবধানে দুজনেই আউট হলে চাপে পড়ে দল।

৩৮ বলে ১ চারের মারে ৩২ রান করে আউট হন সুমাইয়া। ১৯ বলে ১০ রান করেন ফারজানা। চাপে পড়া দলের হাল ধরেন সাদিয়া আক্তার। দুই বাউন্ডারিতে সহজ করেন জয়ের রাস্তা। শেষ পর্যন্ত ১০ বলে ১৩ রানের ইনিংসে এক ওভার বাকি থাকতেই দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। পাকিস্তানের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন মেমুনা খালিদ ও আলিসা মুখতিয়ার।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে টাইগ্রেস বোলারদের তোপে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৮০ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস। ৪২ বলে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৮ রানের ইনিংস খেলেন কোমাল খান। এছাড়া জুফিশান আইয়াজ ১৭ আর রাভাইল ফারহান ১৫ রান করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ১৭ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন হাবিবা ইসলাম পিংকি। দারুণ এ বোলিংয়ে তিনি ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন।

প্রথম ম্যাচে মাত্র ৮৯ রানের লক্ষ্য পেয়েও ১৩ রানের ব্যবধানে হেরেছিল স্বাগতিকরা। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই লড়াই শেষে ১-১ সমতায় রয়েছে দুদল। সিরিজের বাকি তিন ম্যাচ কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৭, ১০ ও ১২ ডিসেম্বর।

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : পাকিস্তানের কাছে ১৩ রানে হারল বাংলাদেশ

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন