১৪/০১/২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
16 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভারতে পালিয়েও রক্ষা হলো না ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে গুলি করা লায়ন শাকিলের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে প্রকাশ্যে গুলি করে তিনজনকে আহত করার ঘটনায় শাকিল ওরফে লায়ন শাকিল ও তার সহযোগি আরিয়ান আহমেদকে ভারতে আটক হয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ শুক্রবার দুপুরে তাদেরকে পতাকার বৈঠকের মাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর কাছে হস্তান্তর করেছে।

বিজ্ঞাপন

বিকেলে তাদেরকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় বিজিবি বাদী হয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া শাকিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়া এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে শাকিল মিয়া (৩৩) ও পৌর এলাকার মধ্যপাড়ার আলমগীর হোসেনের ছেলে মো. আরিয়ান আহমেদ (২৪)। শাকিলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

বিজিবি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ নভেম্বর কান্দিপাড়া এলাকায় গুলি করে তিনজনকে আহত করে শাকিল। এরই জেরে রাতে সাবেক ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যা মামলার প্রধান আসামী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদ্য সাবেক (পদ স্থগিত) আহবায়ক দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। শাকিল তখন থেকেই পলাতক। বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতীয় ৪৯ ব্যাটালিয়ন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ শাকিলসহ দু’জনকে আটক করে। শুক্রবার দুপুরে জেলার কসবা উপজেলা সীমান্তের ২০৩৯ পিলার এলাকায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদেরকে বিজিবির হাতে তুলে দেয়। বিজিবি শুক্রবার বিকালে কসবা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। এ ঘটনায় বিজিবির কসবা ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে কসবা থানায় পাসপোর্ট আইনে মামলা দায়ের করেন।

কসবা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন দাস দু’জনকে বিজিবির মাধ্যমে বুঝে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলার ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

বিজিবি ৬০ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লে. কর্ণেল মো. জিয়াউর রহামন জানান, বিএসএফ দু’জনকে হস্তান্তর করেছে। তাদের বিরদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দেলোয়ার হোসেন ও শাকিল মিয়ার মধ্যে বিরোধ চলছিলো। একটি চোরাচালন পণ্য আটক নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চরম আকার ধারন করে। এরই জেরে ২৮ নভেম্বর রাতে শাকিলের প্রকাশ্য গুলিতে তিনজন আহত হয়। রাতে দেলোয়ার হোসেন দলবল নিয়ে মহড়া দেওয়ার সময় সাদ্দাম নিহত হয়। সাদ্দামের পরিবারের অভিযোগ দেলোয়ার হোসেনসহ অন্যান্যরা সাদ্দামকে ডেকে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।

একটি বিশ্বস্থ সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে শাকিল আখাউড়া পৌর এলাকার কলেজ পাড়ায় পূর্ব পরিচিতের ভাড়া বাসায় অবস্থান নেয়। তবে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে পায়নি। এক পর্যায়ে সে ভারত পালিয়ে যায়।

পড়ুন: শীতের শুরুতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে

দেখুন: ভারতের শীর্ষ ধনীর ছেলের চিড়িয়াখানা কাণ্ড

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন