১৫/০১/২০২৬, ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
17 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ৪:২৫ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

নারায়ণগঞ্জে কিশোরীর গণধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আল আমিন র‍্যাব-১১ কাছে গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বাসযাত্রী এক কিশোরী গণর্ধষণের শিকার হয়েছে। বাসের হেলপার ওই কিশোরীর সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলে যাত্রাবাড়ী না নামিয়ে মদনপুর নিয়ে সহযোগীসহ গণধর্ষণ করে।

বিজ্ঞাপন


গত ৫ ডিসেম্বর ৯ টায় কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট থানার লাঙ্গলকোট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অত্র মামলার এজাহারনামীয় আসামি জেলার ধামগড় ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের চৌরার বাড়ির এলাকার আবু হানিফের ছেলে আল-আমিন (২৮) গ্রেফতার করেন র‍্যাব-১১।


মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ২১ নভেম্বর বাদীর মেয়ে সোনারগাঁ থেকে ঢাকার গেণ্ডারিয়া যাওয়ার জন্য বাসে উঠে।

এ সময় কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে সখ্যতা গড়ে তোলে বাসের হেলপার রানা (৩২)। কিশোরী যাত্রাবাড়ী নামতে চাইলে তাকে বিভিন্ন কথার ফাঁদে ফেলে সেখানে না নামিয়ে তাকে গাড়ি ঘুরিয়ে বন্দরের মদনপুর এনে নামায়। পরে রানা ও তার সহযোগী আল আমিন (২৮) মিলে বন্দরের ধামগড় ইউনিয়নের চৌড়ারবাড়ি এলাকায় নিয়ে আল আমিনের বাড়িতে কিশোরীকে আটকে রাখে। রাতে তাদের সঙ্গে যোগ হয় আরও একজন। পরে ২২ নভেম্বর রাতে আনুমানিক ১ টা থেকে ২ ঘটিকায় মধ্যে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একে একে তারা ধর্ষণ করে।

কিশোরীকে আটক রেখে একাধিকবার ধর্ষণের পর তারা বাইরে গেলে রাতে কিশোরী পালিয়ে স্থানীয় আজহারুল ইসলাম নামে একজনের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেয়। কিশোরী তাদের কাছে ঘটনা বললে স্থানীয়রা তাকে নিয়ে থানায় যায়। পরে পুলিশ কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

উক্ত ঘটনাটি ঘটার পরপরই বিভিন্ন টিভি এবং প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে।


গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পড়ুন- শীতার্তদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া প্রার্থনা

দেখুন- অনাস্থার পুঁজিবাজারে অসহায় বিনিয়োগকারীরা 

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন