০১/০৩/২০২৬, ১৪:৩০ অপরাহ্ণ
31.3 C
Dhaka
০১/০৩/২০২৬, ১৪:৩০ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ভারতের গোয়ায় নাইটক্লাবে ভয়াবহ আগুন, প্রাণ গেল ২৩ জনের

আরব সাগরের তীরবর্তী ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্যটনরাজ্য গোয়ার একটি নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডে পর্যটক এবং সেই ক্লাবের কর্মীসহ ২৩ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ১২টার পর এ ঘটনা ঘটে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নামের সেই নাইটক্লাবটি অবস্থান গোয়ার উত্তরাঞ্চলীয় জেলা আরপোরা’র বাগা বিচে অবস্থিত। বাগা বিচ গোয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় সমুদ্র তীরগুলোর মধ্যে অন্যতম।

ক্লাবটির রান্নাঘর থেকে সূত্রপাত হয় আগুনের। রান্নাঘরের একটি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

রাজ্য পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অধিকাংশ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে রান্নাঘর এবং তার আশপাশ থেকে এবং ধারণা করা হচ্ছে যে তারা সবাই সেই ক্লাবের কর্মচারী ছিলেন। এর বাইরে কয়েক জন পর্যটকের দেহও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার ভোরের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক আলোক কুমার দিকে সাংবাদিকদের বলেছেন, “আগুন মূলত ক্লাবের রান্নাঘর এবং প্রথম তলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। উদ্ধার মরদেহগুলোর অধিকাংশই মিলেছে রান্নাাঘর এবং আশপাশের এলাকা থেকে। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে যে নিহতদের অধিকাংশই ক্লাবের কর্মচারী ছিলেন। কয়েক জন পর্যটকের লাশও উদ্ধার করা হয়েছে। এই সংখ্যা ৩ থেকে ৪ জন হবে। তাদের নাম-পরিচয় এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।”

রোববার সকাল পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন অলোক কুমার।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত। ইতোমধ্যে এ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, “গোয়ার সব বাসিন্দাদের জন্য আজকের দিনটি বড় দুঃখজনক একটি দিন। যারা স্বজন ও ভালবাসার মানুষ হারিয়েছেন তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। তাদের জন্য এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি। রাজ্য সরকার ইতোমধ্যে এ ঘটনা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। যাদের অবহেলার জন্য এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।”

বিজ্ঞাপন

পড়ুন : ভারতে সবচেয়ে বড় পরমাণু স্থাপনা বানাচ্ছে রাশিয়া

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন