ইরানের দেহদাশতের নিচে খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম–৬ষ্ঠ সহস্রাব্দের প্রাগৈতিহাসিক একটি গ্রাম আবিষ্কার করা হয়েছে, যা নব্যপ্রস্তর যুগ এবং প্রাথমিক নগরায়নের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করছে।
দানীশপ্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক জাবিহোল্লাহ মাসৌদিনিয়া শনিবার (৬ ডিসেম্বর) জানান, দেহদাশতের ঐতিহাসিক বেলাদশাপুর নগরের মধ্যে এই গ্রামটির অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এটি এই অঞ্চলের প্রথম বৈজ্ঞানিক খনন, যেখানে সরকারি অনুমোদনে একাধিক ট্রেঞ্চ খনন করা হয়েছে।
প্রত্নতত্ত্ববিদ আরও জানান, উত্তপ্ত পাথরের টুকরো পাওয়া গেছে—যা দিয়ে সে সময়ের মানুষ দুধ বা পানি গরম করতে বিশেষ পদ্ধতিতে পাথর আগুনে গরম করে পাত্রে ফেলে ব্যবহার করত। যা প্রমাণ দেয়, প্রাচীন মানুষ তরল পদার্থ গরম করার জন্য বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করত।
মাসৌদিনিয়া বলেন, এই আবিষ্কার দেহদাশতের ঐতিহাসিক গুরুত্বকে বৃদ্ধি করবে এবং অঞ্চলটির প্রাচীন সভ্যতা সম্পর্কে নতুন তথ্য দেবে। খননে দেখা গেছে, নগরের বর্তমান রাস্তা, ঘরবাড়ি ও অলিগলি প্রাচীন ঢিবির ওপরেই নির্মিত। এছাড়া প্রাচীন পানিবণ্টন ব্যবস্থার নিদর্শনও আবিষ্কৃত হয়েছে, যা প্রাচীন শহর পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য বহন করে।
পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় বন্যা-ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৯০০
আর/


