সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী উপজেলা বিশ্বম্ভরপুর থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসেবে যোগদান করেছেন মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম। এর মধ্য দিয়ে জেলার গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ঘেঁষা এই থানার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও গতিশীল হবে বলে আশা করছেন স্থানীয় জনগণ। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইতোমধ্যেই হবিগঞ্জ জেলার বহুবল মডেল থানা ও চুনারুঘাট থানায় সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সুনাম কুড়িয়েছেন।
বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় বিশ্বম্ভরপুর থানা সবসময়ই আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জপূর্ণ এলাকা। চোরাচালান, মাদক পাচার, অবৈধ অনুপ্রবেশসহ নানা ধরনের সীমান্ত–সংক্রান্ত বিষয়ের দিকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে কাজ করতে হয়। নতুন ওসি দায়িত্ব গ্রহণের পর স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
তার পূর্ববর্তী কর্মজীবন ঘেঁটে দেখা যায়, বহুবল মডেল থানা এবং চুনারুঘাট থানায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি অসংখ্য সফল মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন। অপরাধ দমন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা, থানাকে জনবান্ধব করা এবং পুলিশ–জনতার আস্থা অর্জনে তার ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়। তার নেতৃত্বে ওইসব থানায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে।
নতুন কর্মস্থল বিশ্বম্ভরপুর থানায় ওসি হিসেবে যোগদান করে তিনি বলেছেন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ করে সীমান্ত এলাকাজুড়ে মাদক, চোরাচালান ও অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে কড়া নজরদারি চালানো হবে। একই সঙ্গে থানাকে আরও জনবান্ধব করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে তার মূল লক্ষ্য।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মনে করছেন, তার অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে। স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন—নতুন ওসির নেতৃত্বে অপরাধ দমনে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক পদ্ধতি কার্যকর হবে।
নিজ জেলা ময়মনসিংহ হলেও দায়িত্বের জায়গাকে নিজের কর্মভূমি মনে করে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য ওসি মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম ইতোমধ্যেই প্রশংসিত। বিশ্বম্ভরপুর থানায় তার যোগদান নতুন সম্ভাবনা ও নতুন প্রত্যাশার সৃষ্টি করেছে।
পড়ুন: প্রথম ধাপে ১২৫ জনের নাম ঘোষণা করলো এনসিপি
আর/


