দেশের সব সরকারি এবং মেট্রোপলিটন ও জেলা-উপজেলা সদরের বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার সকালে।
রাজধানীর সেগুন বাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এদিন সকালে লটারি অনুষ্ঠান শুরু হবে।
আবেদন করা সাড়ে ১০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী সরকারি-বেসরকারি স্কুলে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হতে ‘ভাগ্য পরীক্ষার’ অপেক্ষায় আছেন।
ঢাকা মহানগর ভর্তি কমিটির সদস্য এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, “লটারি অনুষ্ঠান আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ। সকাল ১০টায় অনুষ্ঠান শুরু হবে। ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় লটারি অনুষ্ঠিত হবে।
“লটারি চলমান অবস্থায় কোন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হলে তার কাছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএস চলে যাবে, তাই প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই শিক্ষার্থীরা ফল পেতে থাকবেন।”
গত কয়েকবছরের মত এবারও স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল প্রক্রিয়া তদারকি করছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর টেলিটক।
অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, “নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীরা যে ফোন নম্বর ব্যবহার করে আবেদন করেছেন সেটিতে ফলাফল এসএমএস করবে টেলিটক। আর ওয়েবসাইটে (https://gsa.teletalk.com.bd) ফল প্রকাশ করা হবে। আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে ওয়েবসাইট থেকে প্রতিষ্ঠান প্রধান, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা ফল ডাউনলোড করতে পারবেন।
“প্রতিষ্ঠান প্রধান পুরো ফলটি পাবেন, তাই শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট স্কুলে খোঁজ নিয়েও ফল জানতে পারবেন।”
গত কয়েকবছরে দেখা গেছে, স্কুলে ভর্তির ডিজিটাল লটারি প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হতে কয়েকঘণ্টা সময় লাগে।
লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বর ভর্তি হতে পারবেন বলে জানিয়ে অধ্যাপক সোহেল আরও বলেন, “এবারও ভর্তির ক্ষেত্রে গতবারের মত দুটি অপেক্ষমান তালিকা থাকবে। ২২ থেকে ২৪ ডিসেম্বর প্রথম ওয়েটিং লিস্ট থেকে এবং ২৭ থেকে ৩০ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ওয়েটিং লিস্ট থেকে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।”
বরাবরের মতই এবার সরকারি স্কুলগুলোয় ভর্তিতে শিক্ষার্থীরা বেশি আগ্রহ দেখিয়েছেন; এবার ৬৮৯টি সরকারি স্কুলে ভর্তি হতে আসন প্রতি প্রায় ৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।
অপরদিকে ৩ হাজার ৩৬০টি বেসরকারি স্কুলে যতগুলো আসন ফাঁকা আছে তার ৩১ শতাংশ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।
অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের দেওয়া তথ্য বলছে, ৬৮৯টি সরকারি স্কুলে ১ লাখ ২১ হাজার ৫৯৬টি আসনে ৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৮ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন, তারা ১০ লাখ ৪১ হাজার ১৩৮টি আসন পছন্দ দিয়েছেন।
আর মহানগর এবং জেলা ও উপজেলা সদরের ৩ হাজার ৩৬০টি বেসরকারি স্কুলের ১০ লাখ ৭২ হাজার ৯১৭টি আসনে ভর্তির আবেদন করেছেন ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬ জন শিক্ষার্থী।
বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

