26.5 C
Dhaka
০৩/০৩/২০২৬, ৯:৫৮ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

ময়মনসিংহের ত্রিশালে সড়ক মেরামতের দাবিতে মানববন্ধন

এই শুকনো মৌসুমেও বর্ষাকালের মতো কর্দমাক্ত তিন কিলোমিটার সড়ক মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ী ইউনিয়নের জয়দা ও মঠবাড়ীসহ কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষকে। অসহনীয় দুর্ভোগের শিকার শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী দুপুরে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছেন।

বিজ্ঞাপন

অলহরী-মঠবাড়ী সড়কের তিন কিলোমিটার সংস্কার করা হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। ফিশারির মাছ ও খাদ্যবাহী যানবাহন চলাচল, অপরিকল্পিত মাছের খামারে উঁচু করে পাড় বাঁধার কারণে বছর না পেরুতেই নষ্ট হয় সড়ক।

দীর্ঘ সময়ে সড়কের কোনো সংস্কার কাজ না হওয়ায় বড় বড় খানাখন্দের সৃষ্টি হয়। যানবাহনত দূরের কথা, জনসাধারণের চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি।

তবুও ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এই দুর্ভোগ থেকে পরিত্রান পেতে অলহরী-মঠবাড়ী বেহাল সড়কের পাশে জয়দা গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসী।

সরেজমিন দেখা যায়, সড়কের দুই পাশে গড়ে উঠেছে মাছের খামার। খামারের পাড়গুলো বাঁধা হয়েছে সড়ক থেকে দু-তিন ফুট উঁচু করে।মাছবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে পানি পড়ে বেহাল হয়ে পড়েছে সড়কটি। পিছলে পড়ার ভয় নিয়ে কর্দমাক্ত সড়ক মাড়িয়ে চলাচল করছে মানুষজন।

জয়দা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফেরদৌস জানায়, বর্ষাকালে কাদাজলের কারণে স্কুলে যাওয়া-আসা একরকম বন্ধ ছিল। এই শুকনো মৌসুমেও প্রায় একই দশা।

অটোরিকশা চালক নাজমুল হক বলেন, ‘এই রাস্তায় যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করা ঝুঁকিপূর্ণ। বড় বড় গর্ত থাকায় প্রায়ই বিকল হয়ে পড়ে গাড়ি। গাড়ির মোটর নষ্ট হয়ে গেলে সাত-আট হাজার টাকার ফেরে (ক্ষতির মুখে) পড়ি।’

স্থানীয় বাসিন্দা মুঞ্জরুল হক জানান, অন্তঃসত্ত্বা নারী বা আশঙ্কাজনক রোগী নিয়ে বড় দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যান তারা। রাস্তার কারণে হাসপাতালে নিতে অনেক ভোগান্তি হয়।

ত্রিশাল উপজেলা প্রকৌশলী জুবায়ের হোসেনের ভাষ্য, কয়েকটি খারাপ সড়ক সংস্কারে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এই সড়ক বাদ পড়ে থাকলে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পড়ুন: তফসিল ঘোষণার পরদিন থেকে উপজেলা-থানায় ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের সিদ্ধান্ত

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন