১৭/০২/২০২৬, ২১:৪৩ অপরাহ্ণ
24 C
Dhaka
১৭/০২/২০২৬, ২১:৪৩ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হলো শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। রোববার সকালে নতুন প্রশাসনিক ভবনের সামনে কালো ব্যাজ ধারণ করে জাতীয় সঙ্গীতের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা অর্ধ¦নমিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, কালো পতাকা উত্তোলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী।

বিজ্ঞাপন

পরে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ হতে চির উন্নত মম শির এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার শুরুতেই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম।

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আজ ১৪ ডিসেম্বর, শোকের দিন। ৫৪ বছর আগে চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র ২দিন আগে এদেশের সূর্য সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবে দীর্ঘ ৯ মাসব্যাপী দেশের বিভিন্ন জায়গায় যার যার ক্ষেত্রে যোগ্য ব্যক্তিদের এদেশের দোসর এবং আন্তর্জাতিক সহায়তায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আমাদের সেই ক্ষত এখনো পূরণ হয়নি। সেইসকল বুদ্ধিজীবীগণ বেঁচে থাকলে দেশ আরও এগিয়ে যেত। তবে বিভাজন ও অনৈক্য এখনো সমাজে বিরাজমান রয়েছে। আমরা আমাদের বিবেক হারিয়ে ফেলেছি। আমরা শুধু ধণী হওয়ার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছি । আমাদের বিবেকবোধকে জাগ্রত করে সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন হলেই সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’

প্রধান অতিথি আরও বলেন, ‘শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রকৃত সংখ্যা কত তা এখনো নির্ধারণ করা সম্ভব হয় নি। এপর্যন্ত ৪বার তালিকা প্রকাশ করেও সঠিক সংখ্যা বের করা যায় নি। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা ৫৬০ জন। যারা এই নির্মম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিল তাদের চিহ্নিত করে বিচারের মাধ্যমে শাস্তি প্রদানের আহবান জানাচ্ছি।’ বাংলাদেশ যতদিন থাকবে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ততদিন থাকবে উল্লেখ করে উপাচার্য বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই আমরা শহীদদের আত্মত্যাগকে সার্থক করে তুলতে পারবো।


শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এইচ এম কামালের সভাপতিত্বে ও অগ্নি-বীণা হলের প্রভোস্ট মো. হারুনুর রশিদের সঞ্চালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মো. মিজানুর রহমান। আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা ও দোলন-চাঁপা হলের প্রভোস্ট উম্মে ফারহানা।


এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, হলের প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষারথীরা।

পড়ুন- রূপগঞ্জে প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু

দেখুন- হাদির ওপর হা\ম\লা\য় ফায়দা লোটার চেষ্টা: তারেক রহমান |

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন