নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মাসুদুজ্জামান নিরাপত্তার শঙ্কার কথা জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান গত ১৬ ডিসেম্বর। তিন দিনের ব্যাবধানে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে পুনরায় নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেন মাসুদুজ্জামান।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) ছুটির দিনে বিকেলে তল্লায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নেতাকর্মীদের অনুরোধে সিদ্ধান্ত বদলিয়ে তিনি ওই ঘোষণা দেন।
এর আগে বিএনপির বিভিন্ন নেতা ও মাসুদুজ্জামানের কর্মী সমর্থকরা সেখানে মিছিল সহকারে যোগ দেন।
এসময় তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। এই ঘোষাণায় আমার জাতীয়তাবাদী দল, আমার প্রাণের নেতাকর্মীবৃন্দ এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ স্থায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দরা আঘাতপ্রাপ্ত হন। আমি তাদের সবার কাছে ক্ষমা প্রার্থণা করছি।
এসময় মাসুদুজ্জামান বলেন, ব্যাক্তির চেয়ে দল বড় এবং দলের চেয়ে দেশ বড়। আমি পুনরায় ব্যাক্ত করতে চাই, যে ভালোবাসা আমি আপনাদের কাছে পেয়েছি! আপনাদের কাছেও আমি ক্ষমা প্রার্থী। ইনশাল্লাহ আমি এই মঞ্চ থেকে ঘোষণা দিচ্ছি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে সিদ্ধান্ত দিবেন সেটিতে আমি একমত পোষণ করবো। আমি জাতীয়তাবাদী দলের মনোনয়ন পেয়েছি। নির্বাচন করবো ইনশাল্লাহ।
তার এই ঘোষণার পর নেতাকর্মীরা উল্লাসে ফেটে পড়ে। নির্বাচনের ঘোষণা দেয়ার পর মাসুদুজ্জামান বিএনপির নেতাকর্মী ও তার সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখন থেকে আপনারাই আমার পরিবার। আপনারাই আমাকে দেখে রাখবেন। নিরাপত্তার আর কোন শংকা আজ থেকে রইলো না। জীবন বাজী রেখে কাজ করবো।
এদিকে গত ৩ নভেম্বর ২৩৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে বিএনপি। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ছিলেন মাসুদুজ্জামান। তখন থেকে তিনি এলাকায় গণসংযোগ, সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাশঙ্কার কথা উল্লেখ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন মাসুদুজ্জামান।
পড়ুন- সরকার পার্বত্য অঞ্চলে সহাবস্থান এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, সুপ্রদীপ চাকমা


