১৪/০১/২০২৬, ১৯:০২ অপরাহ্ণ
22 C
Dhaka
১৪/০১/২০২৬, ১৯:০২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গজারিয়ায় প্রতিবেশী দুই ভাইয়ের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দায়ের কোপে যুবকের মৃত্যু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার নয়ানগর গ্রামে প্রতিবেশী দুই ভাইয়ের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দায়ের কোপে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিজ্ঞাপন

নিহত যুবকের নাম জান্নাত হোসেন (২৭)। তিনি গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা শাহিন রাঢ়ির দুই ছেলে তারেক ও রিয়াদ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়তেন। শনিবার সকালে আবারও দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া শুরু হলে তা থামাতে প্রতিবেশী জান্নাত হোসেন ঘটনাস্থলে যান। এ সময় দুই ভাইয়ের হাতেই ধারালো বগি দা ছিল।
ঝগড়ার এক পর্যায়ে রিয়াদ তার ভাই তারেককে উদ্দেশ্য করে দা দিয়ে কোপ দিতে গেলে তা জান্নাত হোসেনের শরীরে লাগে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মারিয়া মোস্তারি জানান, সকাল ১১টার দিকে জান্নাতকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহত জান্নাত হোসেনের ভাগ্নি সুমাইয়া আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “দুই ভাই নেশাগ্রস্ত ছিল। নেশার টাকা জোগাড়ের জন্য তারা চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ছিল। পরিকল্পিতভাবেই তারা আমার মামাকে হত্যা করেছে। সকালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ছিল, ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে রিয়াদ দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসান আলী বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

পড়ুন- নওগাঁয় জাতীয় মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিলো ৪৫০ শিক্ষার্থী

দেখুন- মেহেরপুরে বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে শিক্ষিকার অনশন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন