জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের অফিস কক্ষে ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী (অফিস সহায়ক) গামছা দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁসরত অবস্থায় লাশ দেখা গেছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পরিবার ও অফিস প্রধান না থাকায় সেখান থেকে লাশ উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। শনিবার বেলা ১১টায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরে আলম সিদ্দিকী।
নিহতের নাম মাহবুব আলম জনি (৩৫)। তিনি বগুড়ার গাবতলি উপজেলার বটিয়া ভংঙ্গা গ্রামের খায়রুল ইসলামের ছেলে বলে জানাগেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, ২০১৮ সালের ০২ ডিসেম্বরে ক্ষেতলাল উপজেলায় সমাজসেবা অফিসের অফিস সহায়ক হিসেবে যোগদান করেন মাহবুব আলম ওরফে জনি। চাকুরী জনিত কারণে অফিসেই রাত্রি যাপন করতেন তিনি। আজ বেলা ১১টায় সেখানে অফিস কক্ষে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান ঝাড়ুদার। পরে তার চিৎকার চেচামেচিতে লোকজন জানতে পারে। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যান।
বিষয়টি জানতে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেনকে সরেজমিনে গিয়ে পাওয়া যায়নি। তবে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাড়া দেননি।
ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী জানান, প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পড়ুন- গজারিয়ায় প্রতিবেশী দুই ভাইয়ের ঝগড়া থামাতে গিয়ে দায়ের কোপে যুবকের মৃত্যু


