১৫/০১/২০২৬, ২০:২২ অপরাহ্ণ
21 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ২০:২২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

হাতিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৪

হাতিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। এ সময় বিএনপির একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

বিজ্ঞাপন


শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভৈরব বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষে আহতরা হলেন— চরকিং ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মো. সাহারাজ (৩২), যুবদল কর্মী মো. রুবেল (৩৫), মো. মনির (৩৮) এবং হাতিয়া উপজেলা সদস্য সংগ্রহ কমিটির সদস্য কবির উদ্দিন মজনু (৪৮)। আহতদের মধ্যে সাহারাজের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।


চরকিং ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোজাক্কের বারী জানান, গত ১৩ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে আবু তাহেরের নেতৃত্বে একদল হামলাকারী তাকে কুপিয়ে আহত করে। এ ঘটনায় তিনি ১৭ ডিসেম্বর হাতিয়া থানায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।


শনিবার সন্ধ্যায় মামলার তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাতিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাহবুব উদ্দিন ভৈরব বাজারে গেলে মামলার আসামি রিয়াজকে শনাক্ত করেন। এর কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহের ও তার অনুসারীরা রহিম মাঝির নেতৃত্বে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে।


হামলাকারীরা কৃষক দলের নেতা মো. সাহারাজকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন এবং আরও তিনজনকে বেধড়ক মারধর করেন। একই সঙ্গে বিএনপির কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবু তাহেরের ও রহিম মাঝি সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, ঘটনাটি দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে এটি কোনো রাজনৈতিক দাঙ্গা নয় বলে তিনি দাবি করেন।

পড়ুন: ছায়ানটে হামলার ঘটনায় মামলা, আসামি সাড়ে ৩০০

আর/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন