১৫/০১/২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
18 C
Dhaka
১৫/০১/২০২৬, ১:১০ পূর্বাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান লড়বেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে

ঝিনাইদহ-৪ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান লড়বেন ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে। তিনি ঝিনাইদহ-২ আসন দাবী করলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঝিনাইদহ-৪ নির্বাচনী এলাকায় রাশেদ খানের পক্ষে নির্বাচনী সভা করবেন, এমন শর্তে রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪ আসনে প্রার্থী হতে সম্মত হন। বুধবার দুপুর ১ টার সময় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান গণমাধ্যমকর্মীদের।

বিজ্ঞাপন

এদিকে রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার মধ্য দিয়ে চারটির মধ্যে চারটি আসনে বিএনপি প্রার্থী চুড়ান্ত করেছে। এরমধ্যে ঝিনাইদহ- অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান জামান, ঝিনাইদহ-২ আসনে এ্যাড এম এ মজিদ ও ঝিনাইদহ-৩ আসনে আগেই সাবেক সাংসদ শহিদুল ইসলাম মাষ্টারের ছেলে মেহেদী হাসান রণির মনোনয়ন চুড়ান্ত করে দলটি।

তবে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে রাশেদ খানের নাম ঘোষণার পর থেকেই কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটারদের মধ্যে নানা ধরণের প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। তবে এটা সাময়িক বলে মনে করছেন দলের নীতি নির্ধারকরা।

মনোনয়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাশেদ খান বলেন, মঙ্গলবার রাতে গুলশানে বিএনপির অফিসে আলোচনা হয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদ উপস্থিত ছিলেন। ওই আলোচনায় ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে আমাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ভাবে গৃহিত হয়েছে।

রাশেদ খান জানান, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঝিনাইদহ-৪ নির্বাচনী এলাকায় রাশেদ খানের পক্ষে নির্বাচনী সভা করবেন, এমন শর্তে রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪ আসনে প্রার্থী হতে সম্মত হন। এসব বিষয়ে খুব শিগগির বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি জানান।

এদিকে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নতুন করে রাশেদ খানের নাম চাউর হওয়ায় নানা রকম প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কালীগঞ্জের সাধারণ ভোটার ও বিএনপির সাধারণ কর্মীদের মাঝেও ছড়িয়েছে নেতিবাচক প্রভাব। বিগত দিনগুলোতে কালীগঞ্জে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ ও কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ।

স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে হেভিওয়েট এই দুজন। তাদেরকে পাশ কাটিয়ে রাশেদ খানকে দলীয় প্রার্থী দেয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে ভোটারদের মাঝে। যার প্রভাব নির্বাচনের ফলাফলে প্রতিফলিত হতে পারে বলে ধারণা ভোটারদের।

কালীগঞ্জের একাধিক তৃণমূল পর্যায়ের বিএনপি নেতাকর্মী জানান, ঝিনাইদহ-৪ আসনে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দিতা হওয়ার কথা। নির্বাচনী হালচাল সেটাই জানান দিচ্ছে। কাজেই এই আসনে দলের ত্যাগী প্রার্থীরা স্থান পেলে বিএনপির ভোটের পাল্লা ভারি হওয়া সহজ হবে। তবে, রাশেদ খান বিএনপির প্রার্থী হলে কালীগঞ্জের তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা কি ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখাবে সেটাই দেখার বিষয়।

সেখানকার সাধারণ ভোটার নিমাই চন্দ্র বলেন, কালীগঞ্জে বিএনপির রাজনীতি বলতে হামিদ ও ফিরোজ ভাই। আমরা এই দুজনের যেকোনো একজনকে প্রার্থী হিসেবে পাবো বলে আশা করেছিলাম। কিন্ত তা তো আর হলো না।

পড়ুন: সুনামগঞ্জে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী আনিসুল, নুরুল, কয়ছর ও মিলকে ঘোষণা

দেখুন: ‘বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ থেকে ৩ বিলিয়ন ঋণ সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা বাংলাদেশের’ |

ইম/

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন