০২/০৩/২০২৬, ১৩:১২ অপরাহ্ণ
31 C
Dhaka
০২/০৩/২০২৬, ১৩:১২ অপরাহ্ণ
বিজ্ঞাপন

প্রবেশপত্রে কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না থাকায় চাকরি প্রত্যাশীদের স্বপ্নভঙ্গ

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী পদের নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্রে পরীক্ষা কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা উল্লেখ না থাকায় ভুল কেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা দিতে না পারায় নোয়াখালীর একাধিক চাকরি প্রত্যাশীর স্বপ্ন ভেঙে গেছে।

বিজ্ঞাপন

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ৩টায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের হিসাব সহকারী পদের নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হয়। নোয়াখালী জেলার পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্রে জেলার নাম নোয়াখালী, পরীক্ষার তারিখ ও সময়-২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি., দুপুর ৩টা উল্লেখ থাকলেও পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে শুধু আদর্শ হাই স্কুল লেখা ছিল। তবে কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না থাকায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।

পরীক্ষা শুরুর প্রায় ৪০ মিনিট আগে আশ্রাফুল ইসলাম, মো. সোহেল, জুনায়েদসহ একাধিক চাকরি প্রত্যাশী নোয়াখালী জেলা শহরের আদর্শ হাই স্কুলে পৌঁছান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা দেখতে পান বিদ্যালয়ের গেট বন্ধ। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, ওই স্কুলে কোনো নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার রুটিন নেই।

এতে পরীক্ষার্থীরা চরম হতাশায় পড়েন। পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন, সংশ্লিষ্ট নিয়োগ পরীক্ষা ঢাকার আদর্শ হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষার্থীরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরীক্ষা দেওয়া থেকে বঞ্চিত হন।

কবিরহাট উপজেলার বাসিন্দা আশ্রাফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০১৬ সালের ৩ অক্টোবর হিসাব সহকারী পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তিনি তখন আবেদন করেছিলেন। দীর্ঘ ৯ বছর পর ওই নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রবেশপত্র ইস্যু করা হয়। প্রবেশপত্রে শুধু কেন্দ্রের নাম উল্লেখ থাকায় তিনি এবং আরও কয়েকজন পরীক্ষার্থী নোয়াখালীর আদর্শ হাই স্কুলে পরীক্ষা দিতে আসেন। কিন্তু সেখানে কোনো পরীক্ষা না থাকায় তারা হতাশ হয়ে ফিরে যান।

এ বিষয়ে সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. সোহেল, জুনায়েদসহ অন্যান্য পরীক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই পরীক্ষায় অংশ নিতে আমরা বিভিন্ন স্থান থেকে এসেছি। গত কয়েক দিন ধরে নিয়মিত পড়াশোনা করেছি। কিন্তু প্রবেশপত্রে কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা না থাকায় আমরা পরীক্ষা দিতে পারিনি।

তারা এ ঘটনার জন্য কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে দায়ী করে পরীক্ষাটি বাতিল করে সঠিক নিয়মে কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানাসহ নতুন করে প্রবেশপত্র ইস্যু করে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানান।

নোয়াখালীর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইসরাত নাসিমা হাবীব বলেন, নোয়াখালী জেলায় এই নিয়োগ পরীক্ষার কোনো রুটিন ছিল না। এটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা এবং ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রবেশপত্রে কেন্দ্রের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা উল্লেখ না থাকায় পরীক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলেও আশ্বাস দেন।

পড়ুন- গাজীপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর শ্বশুরকে ফোন দিয়ে লাশ নিতে বললেন স্বামী

দেখুন- নেতাকর্মীদের নিয়ে তারেক রহমানের বাসার সামনে ইসরাকের অবস্থান

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

বিশেষ প্রতিবেদন